সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পুরুষদের পর মেয়েদের আইপিএলেও শিরোপা জিতল আরসিবি

ট্রফিতে নিজেদের নাম সংযুক্ত করার মুহূর্তে আরসিবির খেলোয়াড়রা। ছবি : এক্স

আরও একবার স্বপ্নভঙ্গের গল্প। টানা চারবার ফাইনাল খেলে চারবারই স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো দিল্লি ক্যাপিটালসকে। জেমাইমা রদ্রিগেজদের হারিয়ে দ্বিতীয়বার মেয়েদের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো স্মৃতি মন্ধানার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দিল্লির বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৯৬ রানে আউট হয়েছিলেন। শতরানের খুব কাছাকাছি গিয়েও ব্যর্থ হয়েছিলেন। ফাইনালেও হলো না। ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে ৮৭ রানের ইনিংস খেললেন স্মৃতি মান্ধানা। শতরান করতে না পারলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন করলেন তিনি। গতবার ছেলেদের আইপিএল জিতেছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। এবার মেয়েদের আইপিএলেও চ্যাম্পিয়ন হল তারা। এই প্রথমবার ছেলে ও মেয়েদের আইপিএলের দুটি ট্রফিই রয়েছে এক দলের কাছে। তবে কোহলিদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন মান্ধানারা। কেননা, দুটি ট্রফি রয়েছে তাদের কাছে।

 

 

গতবার ডাগ আউটে বসে দিল্লি ক্যাপিটালসের হার দেখতে হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলীকে। গতবার দিল্লির মেন্টর ছিলেন তিনি। এবার তিনি দায়িত্ব নেই। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট ফাইনাল দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলেন বডোদরা। প্রথম ইনিংসে দিল্লির ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছিল, এবার হাসিমুখে ফিরবেন সৌরভ। কিন্তু এবারও হল না। টানা চারবার ফাইনাল হারল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে দিল্লি। মেয়েদের আইপিএলে ফাইনালে এটি কোনো দলের করা সর্বোচ্চ রান। সেই রান তাড়া করে ৬ উইকেটে জিতল বেঙ্গালুরু। কয়েক মাস আগে ভারতের হয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল মান্ধানার। ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করেছিলেন তিনি। কিন্তু তারপরই তার জীবনে ঘটে বিপর্যয়। প্রেমিক পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান শুরুই হয়ে গিয়েছিল বলা চলে। কিন্তু বিয়ের আগের দিন জানা যায়, আপাতত বিয়ে স্থগিত। কয়েক দিন পরে বিয়ে ভাঙার কথা জানান মান্ধানা। ফিরে যান তার একমাত্র ভালোবাসা ক্রিকেটের কাছে। তাকে নিয়ে এই কয়েক মাস কম আলোচনা হয়নি। কিন্তু মান্ধানা নিজের লক্ষ্য থেকে সরেননি। অবশেষে চ্যাম্পিয়ন হয়েই সবকিছুর জবাব দিলেন তিনি। বুঝিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে যতই ঝড় উঠুক না কেন, ক্রিকেট দিয়ে সবকিছুর মোকাবিলা করতে পারেন তিনি। শিরোপা জয়ের পুরস্কার হিসেবে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন মান্ধানা।

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুরুষদের পর মেয়েদের আইপিএলেও শিরোপা জিতল আরসিবি

আপডেট টাইম : ১০:৩৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আরও একবার স্বপ্নভঙ্গের গল্প। টানা চারবার ফাইনাল খেলে চারবারই স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো দিল্লি ক্যাপিটালসকে। জেমাইমা রদ্রিগেজদের হারিয়ে দ্বিতীয়বার মেয়েদের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো স্মৃতি মন্ধানার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দিল্লির বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৯৬ রানে আউট হয়েছিলেন। শতরানের খুব কাছাকাছি গিয়েও ব্যর্থ হয়েছিলেন। ফাইনালেও হলো না। ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে ৮৭ রানের ইনিংস খেললেন স্মৃতি মান্ধানা। শতরান করতে না পারলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন করলেন তিনি। গতবার ছেলেদের আইপিএল জিতেছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। এবার মেয়েদের আইপিএলেও চ্যাম্পিয়ন হল তারা। এই প্রথমবার ছেলে ও মেয়েদের আইপিএলের দুটি ট্রফিই রয়েছে এক দলের কাছে। তবে কোহলিদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন মান্ধানারা। কেননা, দুটি ট্রফি রয়েছে তাদের কাছে।

 

 

গতবার ডাগ আউটে বসে দিল্লি ক্যাপিটালসের হার দেখতে হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলীকে। গতবার দিল্লির মেন্টর ছিলেন তিনি। এবার তিনি দায়িত্ব নেই। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট ফাইনাল দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলেন বডোদরা। প্রথম ইনিংসে দিল্লির ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছিল, এবার হাসিমুখে ফিরবেন সৌরভ। কিন্তু এবারও হল না। টানা চারবার ফাইনাল হারল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে দিল্লি। মেয়েদের আইপিএলে ফাইনালে এটি কোনো দলের করা সর্বোচ্চ রান। সেই রান তাড়া করে ৬ উইকেটে জিতল বেঙ্গালুরু। কয়েক মাস আগে ভারতের হয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল মান্ধানার। ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করেছিলেন তিনি। কিন্তু তারপরই তার জীবনে ঘটে বিপর্যয়। প্রেমিক পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান শুরুই হয়ে গিয়েছিল বলা চলে। কিন্তু বিয়ের আগের দিন জানা যায়, আপাতত বিয়ে স্থগিত। কয়েক দিন পরে বিয়ে ভাঙার কথা জানান মান্ধানা। ফিরে যান তার একমাত্র ভালোবাসা ক্রিকেটের কাছে। তাকে নিয়ে এই কয়েক মাস কম আলোচনা হয়নি। কিন্তু মান্ধানা নিজের লক্ষ্য থেকে সরেননি। অবশেষে চ্যাম্পিয়ন হয়েই সবকিছুর জবাব দিলেন তিনি। বুঝিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে যতই ঝড় উঠুক না কেন, ক্রিকেট দিয়ে সবকিছুর মোকাবিলা করতে পারেন তিনি। শিরোপা জয়ের পুরস্কার হিসেবে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন মান্ধানা।