সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আইনজীবী আলিফ হত্যার পলাতক আসামি গণেশকে গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার আসামি। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গণেশ নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। গণেশের গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে এ মামলায় ২৩ জন আসামি গ্রেপ্তার হলো। এখনো পলাতক ১৬ জন।

 

 

রোববার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে র‌্যাব-৭ এর এক সংবাদ বিজ্ঞতে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

 

 

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার গণেশ ওরফে গনেজ (১৯) নগরীর কোতোয়ালি থানার সেবক কলোনির শেরিপ দাশের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গণেশের অবস্থান জানতে পেরে শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘির পাড়ে জেলা পরিষদ মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর বান্দরবান জেলার সদর থানার নীলাচল যৌথ খামার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলার আরেক আসামি সুকান্তকে (৩০) আটক করেছিল র‌্যাব।

এদিকে বিচারের জন্য আলিফ হত্যা মামলা ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি সেখানে শুনানির দিন ধার্য আছে।

 

২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন নাকচ করে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা।

 

 

আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা সে সময় আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

 

 

ওই ঘটনায় ২৯ নভেম্বর নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন। সেখানে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫/১৬ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের সবাই রঙ্গম কনভেনশন হল সংলগ্ন বান্ডেল সেবক কলোনির বাসিন্দা।

 

 

তদন্ত শেষে গত ১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান। সেখানে মোট ৩৯ জনকে আসামি করা হয়; চিন্ময় দাসকে করা হয় প্রধান আসামি। পরে ২৫ আগস্ট বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনজীবী আলিফ হত্যার পলাতক আসামি গণেশকে গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০১:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গণেশ নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। গণেশের গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে এ মামলায় ২৩ জন আসামি গ্রেপ্তার হলো। এখনো পলাতক ১৬ জন।

 

 

রোববার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে র‌্যাব-৭ এর এক সংবাদ বিজ্ঞতে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

 

 

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার গণেশ ওরফে গনেজ (১৯) নগরীর কোতোয়ালি থানার সেবক কলোনির শেরিপ দাশের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গণেশের অবস্থান জানতে পেরে শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘির পাড়ে জেলা পরিষদ মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর বান্দরবান জেলার সদর থানার নীলাচল যৌথ খামার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলার আরেক আসামি সুকান্তকে (৩০) আটক করেছিল র‌্যাব।

এদিকে বিচারের জন্য আলিফ হত্যা মামলা ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি সেখানে শুনানির দিন ধার্য আছে।

 

২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন নাকচ করে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা।

 

 

আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা সে সময় আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

 

 

ওই ঘটনায় ২৯ নভেম্বর নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন। সেখানে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫/১৬ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের সবাই রঙ্গম কনভেনশন হল সংলগ্ন বান্ডেল সেবক কলোনির বাসিন্দা।

 

 

তদন্ত শেষে গত ১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান। সেখানে মোট ৩৯ জনকে আসামি করা হয়; চিন্ময় দাসকে করা হয় প্রধান আসামি। পরে ২৫ আগস্ট বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।