সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস

আজ হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস। ছবি: সংগৃহীত

আজ ১৩ জানুয়ারি হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের এইদিনে রেল স্টেশনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৭জন ট্রেনযাত্রী। পঙ্গুত্ব বরণ করেন শতাধিক মানুষ।
রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে হিলিবাসী তখন থেকেই নিহতদের স্মরণে দিনটিকে প্রতি বছর হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন । এবং নিহতদের স্মরণে আজ সকাল থেকে কালো পতাকা উত্তালন ও কালো ব্যাচ ধারণ করেন এবং বিকেল ৪ টায় স্টেশন চত্বরে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
১৩ জানুয়ারি এ দিনে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে হিলি রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল গোয়ালন্দ থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী লোকাল একটি ট্রেন। একই সময় বিপরীত দিক সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংষর্ষে লোকাল ট্রেন ও আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
সরকারি হিসেব মতে এসময় ২৭জন ট্রেন যাত্রী প্রাণ হারায় ও শতাধিকযাত্রী আহত হয় এবং অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করে। স্থানীয়দের দাবি কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টারের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এই মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
আজ ১৩ জানুয়ারি হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের এইদিনে রেল স্টেশনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ওই দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৭জন ট্রেনযাত্রী। পঙ্গুত্ব বরণ করেন শতাধিক মানুষ।
রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে হিলিবাসী তখন থেকেই নিহতদের স্মরণে দিনটিকে প্রতি বছর হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন । এবং নিহতদের স্মরণে আজ সকাল থেকে কালো পতাকা উত্তালন ও কালো ব্যাচ ধারণ করেন এবং বিকেল ৪ টায় স্টেশন চত্বরে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
১৩ জানুয়ারি এ দিনে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে হিলি রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল গোয়ালন্দ থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী লোকাল একটি ট্রেন। একই সময় বিপরীত দিক সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংষর্ষে লোকাল ট্রেন ও আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
সরকারি হিসেব মতে এসময় ২৭জন ট্রেন যাত্রী প্রাণ হারায় ও শতাধিকযাত্রী আহত হয় এবং অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করে। স্থানীয়দের দাবি কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টারের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এই মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে।