সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভালোবাসা দিবসে নদী-নিজামের নতুন গান ‘না যেও না’ Logo পাকিস্তান ম্যাচের আগে টিম হোটেলে বান্ধবীর সঙ্গে হার্দিক, অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া Logo ইরানে হামলার জোর সম্ভাবনা, প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo তারেক রহমানের কণ্ঠে জাতীয় ঐক্যের ডাক Logo আখতারের আসনে ফল প্রত্যাখ্যান বিএনপি প্রার্থীর, সড়ক অবরোধ Logo সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী প্রার্থী ভিপি আয়নুল হককে মন্ত্রিসভায় চান স্থানীয়রা Logo লক্ষ্মীপুরে ২১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত, তালিকায় আছে হেভিওয়েটরাও Logo জামায়াত অফিসে বিএনপির বিজয়ী এমপি, শুভেচ্ছা জানালেন প্রতিদ্বন্দ্বী Logo জামায়াত আমিরকে শুভেচ্ছা বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ক্যারিবিয়ান সাগরে মার্কিন হামলায় নিহত ৩

আদালতে শুরু হলো পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার

ছবি : সংগৃহীত

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়েছে।

 

 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

 

 

দুদকের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজ এ তথ্য জানান। অন্য আসামিরা হলেন— এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মামলায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং নামক নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এই মামলায় ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৬ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

84
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভালোবাসা দিবসে নদী-নিজামের নতুন গান ‘না যেও না’

আদালতে শুরু হলো পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার

আপডেট টাইম : ০৭:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়েছে।

 

 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

 

 

দুদকের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজ এ তথ্য জানান। অন্য আসামিরা হলেন— এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। তাদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মামলায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং নামক নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবরে বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এই মামলায় ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ১৬ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।