সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
কথাসাহিত্যে

এশিয়া হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের পুরস্কার পেলেন শামীমা নাইস

মানবাধিকার, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নকে সাহিত্যের ভাষায় তুলে ধরার অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস পিস অ্যাওয়ার্ড–২০২৫ অর্জন করেছেন কবি ও কথাশিল্পী শামীমা নাইস। এশিয়া হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান এবং অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের চেয়ারম্যান এইচ এম মনিরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি শিকদার মকবুল হক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সাহিত্যের মাধ্যমে তুলে ধরার কাজটি রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়ের জন্যই অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, অধ্যাপক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সিনিয়র মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্টজনেরা। বক্তারা মানবাধিকার রক্ষায় লেখক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
মানবাধিকার চেতনা, শান্তি ও সহনশীলতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ায় কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অন্যান্য গুণীজনের সঙ্গে শামীমা নাইসকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। তার সাহিত্যকর্মে নারী, শিশু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকট গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে আয়োজকরা উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, কথাসাহিত্য ও কাব্যসাহিত্যে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল সাধনার জন্য শামীমা নাইস ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তার এই অর্জন সাহিত্যাঙ্গনের পাশাপাশি মানবাধিকার আন্দোলনকেও নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কথাসাহিত্যে

এশিয়া হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের পুরস্কার পেলেন শামীমা নাইস

আপডেট টাইম : ০৬:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
মানবাধিকার, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নকে সাহিত্যের ভাষায় তুলে ধরার অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস পিস অ্যাওয়ার্ড–২০২৫ অর্জন করেছেন কবি ও কথাশিল্পী শামীমা নাইস। এশিয়া হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান এবং অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের চেয়ারম্যান এইচ এম মনিরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি শিকদার মকবুল হক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর সাহিত্যের মাধ্যমে তুলে ধরার কাজটি রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়ের জন্যই অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, অধ্যাপক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সিনিয়র মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্টজনেরা। বক্তারা মানবাধিকার রক্ষায় লেখক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
মানবাধিকার চেতনা, শান্তি ও সহনশীলতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ায় কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অন্যান্য গুণীজনের সঙ্গে শামীমা নাইসকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়। তার সাহিত্যকর্মে নারী, শিশু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকট গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে আয়োজকরা উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, কথাসাহিত্য ও কাব্যসাহিত্যে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল সাধনার জন্য শামীমা নাইস ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তার এই অর্জন সাহিত্যাঙ্গনের পাশাপাশি মানবাধিকার আন্দোলনকেও নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।