সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ওয়ার্ড বয় ও মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট দিয়ে চিকিৎসা: কামারখন্দে হাসপাতালে দুদকের অভিযান

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ওয়ার্ড বয় এবং মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট দিয়ে চিকিৎসা করানো  এবং আরও বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের থেকে আসা তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি টিমের মাধ্যমে তদন্ত অভিযান হয়েছে।

বুধবার (২১জানুয়ারী) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একটানা ২ঘন্টা হাসপাতালের ভিতরের বিভিন্ন জায়গায় এই তদন্ত অভিযান চলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. অভিজিৎ রায় (বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণরত), অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুফিয়া সুলতানা ও আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় মো. আবু তালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত চলে। এসময় দুদক টিম হাসপাতালের পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে হাসপাতালের সেবা নিয়ে কথা বলেন।

দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয় উপ-সহকারী পরিচালক মমিন উদ্দিন জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন সম্মানিত জেলা কার্যালয়ে হতে আসা একটি টিম কামারখন্দ উপজেলা কমপ্লেক্সের হাসপাতালে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করি ঢাকার নির্দেশ মোতাবেক। এখানে সেবার মান এবং ডাক্তারের পরিবর্তে ওয়ার্ড বয় এবং মেডিকেল সহকারী দিয়ে চিকিৎসা করানো হয় এই অভিযোগ ছিল। এছাড়াও অন্যান্য অভিযোগের প্রেক্ষিতেও অভিযান পরিচালনা করি। এখানে এসে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই ওয়ার্ড বয় তাকে আমরা পাইনি তিনি চলে গেছেন অনেক আগেই এবং মেডিকেল সহকারী যিনি প্রেসক্রিপশন করেন তিনি অবসরে চলে গেছেন তাকেও আমরা পাইনি এবং যে ডাক্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনিও এখান থেকে চলে গেছেন। আমরা তাদের তথ্য সংগৃহীত করেছি আমরা এগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে আমরা কমিশনকে অবহিত করব এবং পরবর্তীতে কমিশন যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নেব।

কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোমিন উদ্দিন জানান, ওয়ার্ড বয় দিয়ে চিকিৎসা করানোর অভিযোগে দুদক অভিযান চালিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা এখন এখানে নেই। তবে দুদকের দল হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে।

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ার্ড বয় ও মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট দিয়ে চিকিৎসা: কামারখন্দে হাসপাতালে দুদকের অভিযান

আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ওয়ার্ড বয় এবং মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট দিয়ে চিকিৎসা করানো  এবং আরও বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের থেকে আসা তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি টিমের মাধ্যমে তদন্ত অভিযান হয়েছে।

বুধবার (২১জানুয়ারী) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একটানা ২ঘন্টা হাসপাতালের ভিতরের বিভিন্ন জায়গায় এই তদন্ত অভিযান চলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক মেডিকেল অফিসার ডা. অভিজিৎ রায় (বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণরত), অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুফিয়া সুলতানা ও আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় মো. আবু তালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত চলে। এসময় দুদক টিম হাসপাতালের পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে হাসপাতালের সেবা নিয়ে কথা বলেন।

দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয় উপ-সহকারী পরিচালক মমিন উদ্দিন জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন সম্মানিত জেলা কার্যালয়ে হতে আসা একটি টিম কামারখন্দ উপজেলা কমপ্লেক্সের হাসপাতালে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করি ঢাকার নির্দেশ মোতাবেক। এখানে সেবার মান এবং ডাক্তারের পরিবর্তে ওয়ার্ড বয় এবং মেডিকেল সহকারী দিয়ে চিকিৎসা করানো হয় এই অভিযোগ ছিল। এছাড়াও অন্যান্য অভিযোগের প্রেক্ষিতেও অভিযান পরিচালনা করি। এখানে এসে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই ওয়ার্ড বয় তাকে আমরা পাইনি তিনি চলে গেছেন অনেক আগেই এবং মেডিকেল সহকারী যিনি প্রেসক্রিপশন করেন তিনি অবসরে চলে গেছেন তাকেও আমরা পাইনি এবং যে ডাক্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনিও এখান থেকে চলে গেছেন। আমরা তাদের তথ্য সংগৃহীত করেছি আমরা এগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে আমরা কমিশনকে অবহিত করব এবং পরবর্তীতে কমিশন যে সিদ্ধান্ত দেবে সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নেব।

কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোমিন উদ্দিন জানান, ওয়ার্ড বয় দিয়ে চিকিৎসা করানোর অভিযোগে দুদক অভিযান চালিয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা এখন এখানে নেই। তবে দুদকের দল হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে।