বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশের মতো শোকাহত সিরাজগঞ্জ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে প্রিয় নেত্রীর মৃত্যুর খবর শোনার পর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন। শোকার্ত নেতাকর্মীরা ছুটে আসে দলীয় কার্যালয়ে। এ সময় অনেককেই কাঁদতে দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুধু বিএনপি অভিভাবকহীন হলো না, আজ বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ অভিভাবকহীন হলো।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনোদিন কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করেননি। বেগম জিয়ার কাছে সবার আগে ছিল বাংলাদেশ। তিনি চলে গেলেন। আমি সবার কাছে অনুরোধ করি সবাই বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন।
অপরদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে লাখো কোটি সন্তানরা আজ এতিম হয়ে গেলো। এদেশের মানুষ ভালোবেসে তোমাকে “আপোষহীন দেশনেত্রী” উপাধি দিয়েছিলো। এই শব্দের ভার বহনের মতো কোনো নেতা-নেত্রী এদেশে আর জন্মগ্রহণ করার সম্ভাবনা আছে কিনা জানিনা। শত নির্যাতনেও তোমাকে এদেশ ও মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় নাই।
এছাড়াও জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ ফেসবুক পেজে প্রিয় নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক শেখ এনামুল হক জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত পুরো সিরাজগঞ্জ। দলের নেতাকর্মীরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি ৭দিন ব্যাপী শোক কর্মসূচি পালন করবে। জেলা বিএনপির কার্যালয়ে শোকবই খোলা হয়েছে। দিনভর নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ শোকবইয়ে স্বাক্ষর করছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলা ও সকল উপজেলা কার্যালয়ে চলবে কোরআনখানি। ৭ দিন ব্যাপী শোক বইয়ে স্বাক্ষর ও কোরআনখানি চলবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















