সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খেজুর উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে চলেছে তিউনিসিয়া

ছবি : সংগৃহীত

তিউনিসিয়া চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে খেজুর উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। দেশটির কৃষি, পানিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে খেজুর উৎপাদন ৪ লাখ ৪ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে, যা আগের ২০২৪-২৫ মৌসুমের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

 

 

 

সম্প্রতি দেশটির জাতীয় খেজুর মান উন্নয়ন তহবিলের কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ কমিটির এক বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী এসেদ্দিন বেন শেখ, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও খেজুর উৎপাদন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, তিউনিসিয়ার অন্যতম প্রধান কৃষি রপ্তানি পণ্য খেজুরের উৎপাদন ও মান উন্নয়নে এ তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত মান বজায় রাখা, আধুনিক সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং, বাণিজ্যিক প্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তহবিলের অর্থ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হবে।

 

 

বৈঠকে আরও বলা হয়, খেজুর উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং বর্তমানে ‘ডেগলেট নূর’ জাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন জাতের খেজুর উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি, হিমাগার সংরক্ষণাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। প্রয়োজনে তহবিলের অর্থায়ন আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেজুর উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে চলেছে তিউনিসিয়া

আপডেট টাইম : ০১:৩৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

তিউনিসিয়া চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে খেজুর উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। দেশটির কৃষি, পানিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মৌসুমে খেজুর উৎপাদন ৪ লাখ ৪ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে, যা আগের ২০২৪-২৫ মৌসুমের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

 

 

 

সম্প্রতি দেশটির জাতীয় খেজুর মান উন্নয়ন তহবিলের কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ কমিটির এক বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী এসেদ্দিন বেন শেখ, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও খেজুর উৎপাদন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, তিউনিসিয়ার অন্যতম প্রধান কৃষি রপ্তানি পণ্য খেজুরের উৎপাদন ও মান উন্নয়নে এ তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত মান বজায় রাখা, আধুনিক সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং, বাণিজ্যিক প্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তহবিলের অর্থ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হবে।

 

 

বৈঠকে আরও বলা হয়, খেজুর উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং বর্তমানে ‘ডেগলেট নূর’ জাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন জাতের খেজুর উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি, হিমাগার সংরক্ষণাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে। প্রয়োজনে তহবিলের অর্থায়ন আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।