সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চৌহালীতে দূর্নীতি সংবাদে ইউএনও ও কর্মকর্তাদের সমাবেশে বিতর্ক

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৫ জন দেখেছেন

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার একটি প্রকল্পের দূর্নীতির অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক খোলাকাগজ, দৈনিক আমারদেশ, বাংলা এডিশনসহ বেশ কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যম। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদের ফেসবুক পেজে ব্যাখা দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তোলেন। এবং খরচের একটি ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু সেখানেই তিনি নিজে উল্লেখ করেন মেশিনটির দাম ৫৫ হাজার টাকা। আর ভ্যা্ট ট্যাক্স ১১৭৪৫ টাকা। কিন্তু কোন অংকেই সেটি মেলেনা। আর বিলের রশিদে একদাগে লিখা রয়েছে ৮১০০০/ টাকা। কেউ কেউ ফেসবুকের পোষ্টে সেই প্রশ্ন্ও তোলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন জবাব দেয়নি। সম্ভবত কোনদিকেই রক্ষা করতে না পেরে উপজেলার সরকারী স্টাফদের জোর করে দাড় করিয়ে দেন প্রতিবাদ সমাবেশে। কিন্তু সেখানে কেউ কোন প্রতিবাদ করেননি। তবে ছবি তুলেছেন কেউ কেউ। সংবাদ প্রকাশে স্থানীয়রা বলছেন, দূর্নীতির তদন্ত না করে প্রতিবাদ করছে। ব্যাপারটির হাস্যকর।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমাবেশ করেছেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে অংশ নেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানভীর হাসান মজুমদার, বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা উজ্জ্বল ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মুন্নাফ খান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার খালিদ মাহমুদ প্রমুখ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিবাদ সমাবেশে কোনো সভাপতি বা সঞ্চালক ছিলেন না এবং কেউ আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও দেননি।

তবে ক্রয় রশিদে শুধুমাত্র ইঞ্জিনের দাম ৮১ হাজার টাকা উল্লেখ থাকায় প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি প্রকল্পে উল্লিখিত একটি এইচপি ব্র্যান্ডের লেজার প্রিন্টার, একটি কালার প্রিন্টার এবং একটি ২১.৫ ইঞ্চি মনিটর এখনো বিতরণ না হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চৌহালীতে দূর্নীতি সংবাদে ইউএনও ও কর্মকর্তাদের সমাবেশে বিতর্ক

আপডেট টাইম : ০৪:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার একটি প্রকল্পের দূর্নীতির অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক খোলাকাগজ, দৈনিক আমারদেশ, বাংলা এডিশনসহ বেশ কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যম। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদের ফেসবুক পেজে ব্যাখা দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তোলেন। এবং খরচের একটি ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু সেখানেই তিনি নিজে উল্লেখ করেন মেশিনটির দাম ৫৫ হাজার টাকা। আর ভ্যা্ট ট্যাক্স ১১৭৪৫ টাকা। কিন্তু কোন অংকেই সেটি মেলেনা। আর বিলের রশিদে একদাগে লিখা রয়েছে ৮১০০০/ টাকা। কেউ কেউ ফেসবুকের পোষ্টে সেই প্রশ্ন্ও তোলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন জবাব দেয়নি। সম্ভবত কোনদিকেই রক্ষা করতে না পেরে উপজেলার সরকারী স্টাফদের জোর করে দাড় করিয়ে দেন প্রতিবাদ সমাবেশে। কিন্তু সেখানে কেউ কোন প্রতিবাদ করেননি। তবে ছবি তুলেছেন কেউ কেউ। সংবাদ প্রকাশে স্থানীয়রা বলছেন, দূর্নীতির তদন্ত না করে প্রতিবাদ করছে। ব্যাপারটির হাস্যকর।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমাবেশ করেছেন। বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে অংশ নেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানভীর হাসান মজুমদার, বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা উজ্জ্বল ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মুন্নাফ খান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার খালিদ মাহমুদ প্রমুখ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিবাদ সমাবেশে কোনো সভাপতি বা সঞ্চালক ছিলেন না এবং কেউ আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও দেননি।

তবে ক্রয় রশিদে শুধুমাত্র ইঞ্জিনের দাম ৮১ হাজার টাকা উল্লেখ থাকায় প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি প্রকল্পে উল্লিখিত একটি এইচপি ব্র্যান্ডের লেজার প্রিন্টার, একটি কালার প্রিন্টার এবং একটি ২১.৫ ইঞ্চি মনিটর এখনো বিতরণ না হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে।