সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান,ভ্রাম্যমান আদালতে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম. নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মো: কামরুল ইসলাম (পিতা: মো: মানিক মিয়া), গ্রাম:আহম্মদপুর, উপজেলা:সুজানগর, জেলা: পাবনা দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজে এস্কেভেটর ব্যবহার করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়াও ভবিষ্যতে আর কখনো অবৈধ পুকুর খননের কাজে নিজের এস্কেভেটর ব্যবহার করবেন না—মর্মে দণ্ডিত ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে মাটি ও পুকুর খননের ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে তাড়াশ উপজেলায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান,ভ্রাম্যমান আদালতে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ১১:০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম. নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মো: কামরুল ইসলাম (পিতা: মো: মানিক মিয়া), গ্রাম:আহম্মদপুর, উপজেলা:সুজানগর, জেলা: পাবনা দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজে এস্কেভেটর ব্যবহার করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়াও ভবিষ্যতে আর কখনো অবৈধ পুকুর খননের কাজে নিজের এস্কেভেটর ব্যবহার করবেন না—মর্মে দণ্ডিত ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে মাটি ও পুকুর খননের ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে তাড়াশ উপজেলায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।