নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুল ছাত্র মুস্তাকিম মিয়া (১৪) নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত স্কুল ছাত্রের মা শাহানা বেগম বাদী হয়ে দুই
জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করে রায়পুরা থানায় মামলাটি করেন। মামলার দুই আসামি হলেন মাসুম মিয়া ওরফে চায়না মাসুম ও মালেক মিয়া। তারা দুজনই এরশাদ গ্রুপের অনুসারী বলে জানা গেছে।
এর আগে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ‘হানিফ মাস্টার’ গ্রুপ ও ‘এরশাদ মিয়া’ গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে বালুচর গ্রাম থেকে এরশাদ গ্রুপের লোকজন দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সায়দাবাদ গ্রামে হানিফ মাস্টারের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে বসতবাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে থাকা কিশোর মুস্তাকিম সরাসরি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। সংঘর্ষের সময় আগুনে অন্তত ৪টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। গুলিবর্ষণ ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহত মুস্তাকিম ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী মাসুদ রানার ছেলে ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, আসামীরা ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে গেছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে অপরাধীদের দ্রতই গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নরসিংদী প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 



















