ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপি হয়েছে।
শুক্রবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তুলি বলেন, ‘ভোটগ্রহণ গতকাল (বৃহস্পতিবার) শেষ হয়েছে, রাত পেরিয়ে গেলেও আজ (শুক্রবার) পর্যন্ত ঢাকা-১৪ আসনের প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল স্পষ্ট করা হয়নি।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘১৫ বছর পর এত অনিয়ম কেন? কেন এই আসনটিকে এমনভাবে টার্গেট করা হলো? অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলাফল স্থগিত করে পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
তুলি আরও অভিযোগ করেন, কিছু কেন্দ্রে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি জামায়াতের কর্মীরা বিএনপি সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পায়নি আলজাজিরা।
প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার আরমানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা ইসলাম তুলি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৭ ভোট। ব্যারিস্টার আরমান ১৫ হাজার ৮৫৭ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় মোট ১৭৩ কেন্দ্রের ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। এতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ব্যারিস্টার আরমান ৯৬ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা ইসলাম তুলি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৭ ভোট। ব্যারিস্টার আরমান ১৫ হাজার ৮৫৭ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
ব্যারিস্টার আরমান আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে প্রায় আট বছর ধরে গুমের শিকার ছিলেন। তিনি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহীদ মীর কাসেম আলীর ছেলে।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 






















