গত ৩০ মার্চ, ২০২৬ সিরাজগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগের কথা পত্রিকায় “বিয়ের তিন মাসেই নিভল সুখের বাতি, চিকিৎসক স্বামীর অমানবিক নির্যাতনে শ্বশুরবাড়ীতে ঠাই হলো না স্ত্রীর” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই সংবাদটিতে আমাকে জড়িয়ে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা আদৌ সঠিক নহে।
সংবাদটিতে রত্না নামের যে মেয়েটিকে আমার স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার স্বামী-স্ত্রীর কোন সম্পর্ক নেই। রত্না খাতুনের সঙ্গে প্রায় ৬ মাস আগেই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে গেছে। তাকে সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে নিকাহ রেজিস্টারের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার পর নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে হলফনামা সম্পন্ন করে যথারীতি নোটিশ পাঠানো হয়। তবে রত্না খাতুন তালাকের নোটিশ গ্রহণ না করে ডাকযোগে আমাকে ফেরত পাঠিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে আমাদের তালাক সম্পন্ন হয়েছে এবং আমি তালাক নিবন্ধনও হাতে পেয়েছি। তারপরও রত্না খাতুন বিভিন্ন সময় আমাকে ও আমার পরিবারকে ফোন করে বলে তাকে গ্রহণ না করলে আমার বাড়িতে ঢুকে আত্মহত্যা করবে-এমন হুমকি দিয়ে আসছে। বাধ্য হয়ে আমি বাদী হয়ে তাড়াশ থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছি, যার নম্বর ১১০২, তারিখ-২৪.০৩.২০২৬।
এ অবস্থার মধ্যে সংবাদ মাধ্যমে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মনগড়া। একটি কুচক্রীমহল আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিককে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ ধরণের সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। আমি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মো. মনিরুজ্জামান
চৌড়া, তাড়াশ,সিরাজগঞ্জ।

রিপোর্টার: 



















