সিরাজগঞ্জে সেনাবাহিনীর গাড়ি থেকে হ্যান্ড মাইকে দাঁড়িপাল্লার এজেন্ট, কর্মী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসা রটনার অভিযোগ তুলেছে জামায়তে ইসলামী। এছাড়াও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছে দলটি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ ও কাঠেরপুল এলাকায় সেনাবাহিনীর দুটি গাড়ি থেকে হ্যান্ড মাইকে দাঁড়িপাল্লার এজেন্ট, কর্মী ও ভোটারদের নাম উল্লেখ করে তাদের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং তাদের সন্ধান পেলে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে জানাতে বলা হয়।
সংবাদ পেয়ে দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় দোকানদার, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা ঘটনাটির সত্যতা সম্পর্কে বর্ণনা দেন বলে আবেদনে দাবি করা হয়। পরে নেতৃবৃন্দ রহমতগঞ্জ গ্রামের ভেতরে গিয়ে নিজেদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিচে সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
সংবা সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়েই সেনা ক্যাম্পে যাই। তারা কিসের ভিত্তিতে মাইকিং করেছে, তার সদত্যুত্তর দিতে পারেননি৷ আমাদের এমপি প্রার্থীর সাথে তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। সেনাবাহিনী আমাদের প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন। উনারা রাতের আঁধারে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের এনে মিটিং করেছে।
সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনী মাইকিং করে গতকাল জামায়াত ইসলামীর এজেন্টদের নাম ডেকে ডেকে ঘোষণা করা হয়, এরা অস্ত্রধারী৷ এদের যেখানেই পাবেন সেনাবাহিনীতে খবর দিবেন। আমরা সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করেছি তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারিনি। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি তারা তদন্ত করে দেখার জন্য আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। যে বিষয়ে আমাদের এখানে অভিযোগ এসেছে, ইতিমধ্যে সেটি নিয়ে আলোচনা করেছি৷ আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















