কোচ পিটার বাটলারের হাই লাইন ডিফেন্স তত্ত্ব নিয়ে সমালোচনা ছিল আগে থেকেই। সেটিই আবারও ভোগালো দলকে। মাঠে প্রতিপক্ষ বারবারই সেই দুর্বলতা কাজে লাগিয়েছে।
ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
কোচ পিটার বাটলারের হাই লাইন ডিফেন্স তত্ত্ব নিয়ে সমালোচনা ছিল আগে থেকেই। সেটিই আবারও ভোগালো দলকে। মাঠে প্রতিপক্ষ বারবারই সেই দুর্বলতা কাজে লাগিয়েছে।
২৯ মিনিটে বাংলাদেশের উঁচু রক্ষণভাগের ফাঁক গলে মালয়েশিয়াকে এগিয়ে দেন নুর আইনসিয়া বিনতি মুরাদ। মাঝমাঠ থেকে নুহাদফিনা মোহদ ফিরদাউসের দারুণ চিপে বল পেয়ে গতি কাজে লাগান আইনসিয়া। তাঁর পেছনে পড়ে যান সেন্টারব্যাক কোহাতি কিসকু। পরিস্থিতি সামলাতে পোস্ট ছেড়ে এগিয়ে আসেন গোলরক্ষক রুপনা চাকমা, কিন্তু আইনসিয়াকে থামাতে পারেননি। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে ফাঁকা জালে বল পাঠান মালয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার।
বিরতিতে এক গোল পিছিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে গতি আনে বাংলাদেশ। তিনটি পরিবর্তনে মাঠে নামেন মোসাম্মত সাগরিকা, তহুরা খাতুন ও স্বপ্না রানী; তাতে খেলায় কিছুটা প্রাণ ফিরে আসে। কিন্তু হাই লাইনের দুর্বলতা রয়ে যায় আগের মতোই। ৫৫ থেকে ৬২ মিনিটের মধ্যে কয়েক দফা বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করে বল নিয়ে বেরিয়ে আসে মালয়েশিয়া। রুপনা চাকমার দৃঢ়তায় বড় বিপদ এড়ায় দল।
৭৯ মিনিটে আবারও আইনসিয়া বাংলাদেশের রক্ষণ পরীক্ষা নেন। বক্সে ঢুকে শট নেওয়ার আগেই কোহাতির ট্যাকলে থেমে যায় সেই আক্রমণ। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মালয়েশিয়া লিড দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ পেলেও রুপনার দিকে সরাসরি মারা শটেই বাঁচে বাংলাদেশ।