সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভিকারুননিসার ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪ জন দেখেছেন

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ৮ বছর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। এর মধ্যে ধর্ষণের দায়ে তার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আর অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। ফেসবুকের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামি ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার সময় ভিকটিম বাসা থেকে কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে কোচিং শেষে বাসায় ফিরে না আসায় তার বাবা ও মামলার বাদী তাকে খুঁজতে আজিমপুর গিয়ে কোচিং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম কোচিংয়ে যায়নি বলে জানান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে কয়েকজন তাকে জানান, ৩০ অক্টোবর ২টা ৪ মিনিটের সময় তার মেয়ে বাসা থেকে কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকার বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে পৌঁছালে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন তার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন আসামির বিরুদ্ধে ভিকটিমকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

84
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিকারুননিসার ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৬:৩৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ৮ বছর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। এর মধ্যে ধর্ষণের দায়ে তার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আর অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তার সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। ফেসবুকের পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামি ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার সময় ভিকটিম বাসা থেকে কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে কোচিং শেষে বাসায় ফিরে না আসায় তার বাবা ও মামলার বাদী তাকে খুঁজতে আজিমপুর গিয়ে কোচিং শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করলে ভিকটিম কোচিংয়ে যায়নি বলে জানান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে কয়েকজন তাকে জানান, ৩০ অক্টোবর ২টা ৪ মিনিটের সময় তার মেয়ে বাসা থেকে কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকার বড়গ্রাম চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়ে পৌঁছালে আসামি আনিছ আহম্মেদ নীলসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন তার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন আসামির বিরুদ্ধে ভিকটিমকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।