সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র :সাদিক

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
তথ্য প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এগুলো সব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মঈনুল হাসান সাদিক।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘‘হিংসা প্রতিহিংসা নয়, আমরা রাজনীতিতে শৃঙ্খলা চাই। আমরা মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হতে চাইনা, আমরা শান্তি চাই।’’
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির এ সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘গত ২৪ আগস্ট কয়েকটি গণমাধ্যম অতি উৎসাহিত হয়ে, কোন রকম তথ্য প্রমাণ ছাড়াই ‘‘১০ কোটিতে বিএনপিতে পদ, অবশেষে বহিষ্কার’’ এবং আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি কোন ধরনের অনিয়মের মধ্যে জড়িত নই এবং ইতিপূর্বেও ছিলাম না। যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া। আমি এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রকাশিত প্রতিবেদনটি মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং আমার সম্পর্কে ভুলভাবে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছেন।’’
গণমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জ করে মঈনুল হাসান সাদিক আরও বলেন, ‘‘প্রকাশিত নিউজের মধ্যে ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাওয়া এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা নিয়ে বিএনপিতে পদ এবং প্রমাণিত হওয়ায় বহিষ্কারের কথা বলা হচ্ছে সেটা অনুসন্ধান করলেই জানতে পারবেন। আর্থিক কোনো লেনদেন নয় ‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী’ কার্যকলাপের জন্য দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একটি পক্ষ এমন ভুয়া তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পত্রিকাটির বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, যদি কোন ধরনের প্রমাণ কেউ দেখাতে পারে আমি সেচ্ছায় গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করবো।’’
পরিশেষে ডাক্তার সাদিক বলেন, ‘‘আমি এবং আমার পরিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রোষানলে পড়ে নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার হয়েছি। মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয়েছে বহুবার। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। সংঘাত বা প্রতিহিংসা নয় আমরা শান্তি চাই, সবাই ধৈর্য ধারন করে চলুন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’’

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র :সাদিক

আপডেট টাইম : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
তথ্য প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এগুলো সব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মঈনুল হাসান সাদিক।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘‘হিংসা প্রতিহিংসা নয়, আমরা রাজনীতিতে শৃঙ্খলা চাই। আমরা মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হতে চাইনা, আমরা শান্তি চাই।’’
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির এ সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘গত ২৪ আগস্ট কয়েকটি গণমাধ্যম অতি উৎসাহিত হয়ে, কোন রকম তথ্য প্রমাণ ছাড়াই ‘‘১০ কোটিতে বিএনপিতে পদ, অবশেষে বহিষ্কার’’ এবং আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি কোন ধরনের অনিয়মের মধ্যে জড়িত নই এবং ইতিপূর্বেও ছিলাম না। যে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া। আমি এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রকাশিত প্রতিবেদনটি মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং আমার সম্পর্কে ভুলভাবে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছেন।’’
গণমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জ করে মঈনুল হাসান সাদিক আরও বলেন, ‘‘প্রকাশিত নিউজের মধ্যে ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাওয়া এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা নিয়ে বিএনপিতে পদ এবং প্রমাণিত হওয়ায় বহিষ্কারের কথা বলা হচ্ছে সেটা অনুসন্ধান করলেই জানতে পারবেন। আর্থিক কোনো লেনদেন নয় ‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী’ কার্যকলাপের জন্য দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একটি পক্ষ এমন ভুয়া তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পত্রিকাটির বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, যদি কোন ধরনের প্রমাণ কেউ দেখাতে পারে আমি সেচ্ছায় গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করবো।’’
পরিশেষে ডাক্তার সাদিক বলেন, ‘‘আমি এবং আমার পরিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রোষানলে পড়ে নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার হয়েছি। মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয়েছে বহুবার। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। সংঘাত বা প্রতিহিংসা নয় আমরা শান্তি চাই, সবাই ধৈর্য ধারন করে চলুন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’’