উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জ। সম্ভাবনাময় যমুনার পারের এই জেলা শহরটির অগ্রগতিতে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পাড়ায়-মহল্লায় সংঘর্ষ-ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মত ঘটনাগুলো। আধিপত্য বিস্তার কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ যেন এক ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে।
এসব সংঘর্ষ দমনে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা যখন হিমশিম খাচ্ছিল তখনই আশার বানী শোনালেন সিরাজগঞ্জের নবাগত প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। পাড়ায়-মহল্লায় দ্বন্দ্ব-সংঘাত-সংঘর্ষ দমন করে শান্তির শহর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।
সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, আমি সিরাজগঞ্জে এসেই মহল্লায়-মহল্লায় সংঘর্ষের বিষয়টি জেনেছি। জানার পরেই দ্রুত দুই মহল্লাবাসীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। বৈঠক শেষে নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ এলাকাবাসীকে সংঘর্ষে না জড়ানোর জন্য মাইকিং করেছেন।
শীঘ্রই আমরা সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠক করবো। সংঘর্ষ এড়াতে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বলেন তিনি।
নবাগত জেলা প্রশাসকের এমন প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্ত হন সাংবাদিকরা।
মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোছা. নুর নাহার বেগম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হারুন-অর-রশিদ খান হাসান, শরীফুল ইসলাম ইন্না, বাবু ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, হেলাল আহমেদ, নুরুল ইসলাম রইসী, আব্দুস সামাদ সায়েম, জনতার কণ্ঠ’র সম্পাদক স্বপন চন্দ্র দাস, মাহমুদুল হাসান উজ্জল, শেখ এনামুল হক, গোলাম মোস্তফা রুবেল, রিফাত রহমান, সাজিরুল সঞ্জয়, রিংকু কুন্ড, শুভ কুমার ঘোষ প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় সিরাজগঞ্জের সমস্যা-সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেন গণমাধ্যকর্মীরা। নবাগত জেলা প্রশাসক সেসব নোট নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কন্ঠ.কম 



















