সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হিলিতে মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির চারজন কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্যের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হা,আ,ব রাজ্জাক। এসময় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, মোঃ মতিয়ার রহমান, মাদ্রাসার শিক্ষক আলতাফ হোসেন ও নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়া চারজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী।
গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হিলি প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে  তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে রাজ্জাক বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর গোবিন্দপুর গুমরা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির চারজন কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ বোর্ডের সকল কার্যক্রম বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশোধিত নিয়োগ বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের অনুমোদন এবং বোর্ডের প্রতিনিধি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ করা হয়। ওই দিন মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি।
তিনি বলেন, উক্ত নিয়োগ বোর্ড মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলী কর্তৃক আহ্বান করা হয়। আইন ও বিধি অনুযায়ী এই বোর্ড আহ্বানের এখতিয়ার সভাপতির নয়। নিয়োগ পরীক্ষার পর প্রস্তুতকৃত রেজাল্ট সিটে সুপারসহ বোর্ডের সকল সদস্য স্বাক্ষর প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশনে সুপার স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান করানোর জন্য অনুষ্ঠিত মিটিংয়ের কার্যবিবরণী এবং সর্বশেষে নিয়োগ পত্র প্রদানকালেও উক্ত মাদ্রাসার সুপার স্বাক্ষর করেন।
অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সাথে আমরা লক্ষ্য করছি এই সকল নথিতে স্বাক্ষর প্রদান করার পরও সংশ্লিষ্ট সুপারের যোগসাজশে আমার বিরুদ্ধে (সভাপতি) “নিয়োগ বাণিজ্য” সংক্রান্ত যে অভিযোগ তুলেছেন, এবং কিছু অনলাইন পোর্টাল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এসব মিথ্যা অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন এবং স্ব-বিরোধী।
আমাদের প্রশ্ন অত্যন্ত সহজ ও যৌক্তিক, যদি সত্যিই কোনো ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেন ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ধাপে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর প্রদান করলেন?
আইন, যুক্তি ও সাধারণ বিবেচনায় এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।
বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে আমাকে এবং মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সভাপতি রাজ্জাকের।
আমি দৃঢ়তার সাথে জানাতে চাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও নথিভিত্তিক। এখানে কোনো প্রকার অবৈধ লেনদেন, প্রভাব খাটানো বা অনৈতিক কার্যক্রম সংঘটিত হয়নি।
এসময় উপস্থিত উক্ত মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসায় চারজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড সহ সকল কার্যক্রম মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলী সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ওই দিনে নিয়োগ বোর্ডে মেধায় উর্ত্তীন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা করেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন প্রার্থীরা মাদ্রাসায় যোগদান করতে পারে নাই। সুপার টাকা চেয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এবিষয়ে প্রার্থীরা ভালো বলতে পারবে। তবে আমার কাছে কয়েকজন সাংবাদিক গিয়েছিলেন আমি সত্য ঘটনা খোলামেলা বলেছি কিন্তু তার আমার বক্তব্য কাটছাট করে প্রকাশ করেছেন। যা আমার কাছে দুঃখের বিষয়!
চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়া চারজন প্রার্থী নিরাপত্তা কর্মী শাকিল বাবু, পরিচ্ছন্নতা কর্মী রাশেদুজ্জামান লিফাত, নৈশপ্রহরী মিনহাজ উদ্দিন ও আয়া মোছাঃ মোস্তানা আক্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চার জন কোন প্রকার অর্থ ছাড়ায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগ বোর্ডে মেধার ভিত্তিতে উর্ত্তীন হয়েছি এবং ওই দিন শত শত মানুষের উপস্থিতিতে আমাদের নাম ঘোষণা করেছেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি। নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়ার পরে মাদ্রাসায় যোগদান করতে গেলে মাদ্রাসার সুপার আমাদের প্রত্যকের কাছে চার লাখ টাকা দাবি করে এবং খারাপ আচরণ করে। আমরা টাকা না দেওয়ায় আমাদের যোগদান করা হয়নি এবং হাজিরা খাতায় এখন পর্যন্ত স্বাক্ষর করতে দেয় না মাদ্রাসার সুপার। আমরা এর ন্যায্য বিচার চাই। আমরা নিয়োগ বোর্ডে মেধার ভিত্তিতে উর্ত্তীন হওয়ার পরেও কেন যোগদান করতে পারবো না।
এদিকে গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, আমি নিয়োগ বোর্ডের সকল কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলাম স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু পরবর্তীতে নিয়োগ বোর্ডের সকল কাগজপত্র সভাপতি জব্দ করে নেয়। আমি তাদের (উর্ত্তীন প্রার্থীদের) বলেছি তোমাদের কি কাগজপত্র আছে নিয়ে আসো যোগদান করো। তারা বলেন সব না কি সভাপতি করবে। এমন কি নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন কোন প্রার্থী যোগদানের জন্য আমার কাছে আবেদন করে নাই। টাকা চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না বলে তিনি।
78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হিলিতে মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০৩:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির চারজন কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্যের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হা,আ,ব রাজ্জাক। এসময় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, মোঃ মতিয়ার রহমান, মাদ্রাসার শিক্ষক আলতাফ হোসেন ও নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়া চারজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী।
গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হিলি প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে  তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে রাজ্জাক বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর গোবিন্দপুর গুমরা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণির চারজন কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ বোর্ডের সকল কার্যক্রম বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশোধিত নিয়োগ বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের অনুমোদন এবং বোর্ডের প্রতিনিধি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ করা হয়। ওই দিন মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি।
তিনি বলেন, উক্ত নিয়োগ বোর্ড মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলী কর্তৃক আহ্বান করা হয়। আইন ও বিধি অনুযায়ী এই বোর্ড আহ্বানের এখতিয়ার সভাপতির নয়। নিয়োগ পরীক্ষার পর প্রস্তুতকৃত রেজাল্ট সিটে সুপারসহ বোর্ডের সকল সদস্য স্বাক্ষর প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশনে সুপার স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান করানোর জন্য অনুষ্ঠিত মিটিংয়ের কার্যবিবরণী এবং সর্বশেষে নিয়োগ পত্র প্রদানকালেও উক্ত মাদ্রাসার সুপার স্বাক্ষর করেন।
অথচ অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সাথে আমরা লক্ষ্য করছি এই সকল নথিতে স্বাক্ষর প্রদান করার পরও সংশ্লিষ্ট সুপারের যোগসাজশে আমার বিরুদ্ধে (সভাপতি) “নিয়োগ বাণিজ্য” সংক্রান্ত যে অভিযোগ তুলেছেন, এবং কিছু অনলাইন পোর্টাল, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এসব মিথ্যা অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন এবং স্ব-বিরোধী।
আমাদের প্রশ্ন অত্যন্ত সহজ ও যৌক্তিক, যদি সত্যিই কোনো ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেন ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ধাপে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর প্রদান করলেন?
আইন, যুক্তি ও সাধারণ বিবেচনায় এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।
বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে আমাকে এবং মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সভাপতি রাজ্জাকের।
আমি দৃঢ়তার সাথে জানাতে চাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও নথিভিত্তিক। এখানে কোনো প্রকার অবৈধ লেনদেন, প্রভাব খাটানো বা অনৈতিক কার্যক্রম সংঘটিত হয়নি।
এসময় উপস্থিত উক্ত মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, গত ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসায় চারজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড সহ সকল কার্যক্রম মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলী সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ওই দিনে নিয়োগ বোর্ডে মেধায় উর্ত্তীন প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা করেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন প্রার্থীরা মাদ্রাসায় যোগদান করতে পারে নাই। সুপার টাকা চেয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এবিষয়ে প্রার্থীরা ভালো বলতে পারবে। তবে আমার কাছে কয়েকজন সাংবাদিক গিয়েছিলেন আমি সত্য ঘটনা খোলামেলা বলেছি কিন্তু তার আমার বক্তব্য কাটছাট করে প্রকাশ করেছেন। যা আমার কাছে দুঃখের বিষয়!
চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়া চারজন প্রার্থী নিরাপত্তা কর্মী শাকিল বাবু, পরিচ্ছন্নতা কর্মী রাশেদুজ্জামান লিফাত, নৈশপ্রহরী মিনহাজ উদ্দিন ও আয়া মোছাঃ মোস্তানা আক্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চার জন কোন প্রকার অর্থ ছাড়ায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগ বোর্ডে মেধার ভিত্তিতে উর্ত্তীন হয়েছি এবং ওই দিন শত শত মানুষের উপস্থিতিতে আমাদের নাম ঘোষণা করেছেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধি। নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন হওয়ার পরে মাদ্রাসায় যোগদান করতে গেলে মাদ্রাসার সুপার আমাদের প্রত্যকের কাছে চার লাখ টাকা দাবি করে এবং খারাপ আচরণ করে। আমরা টাকা না দেওয়ায় আমাদের যোগদান করা হয়নি এবং হাজিরা খাতায় এখন পর্যন্ত স্বাক্ষর করতে দেয় না মাদ্রাসার সুপার। আমরা এর ন্যায্য বিচার চাই। আমরা নিয়োগ বোর্ডে মেধার ভিত্তিতে উর্ত্তীন হওয়ার পরেও কেন যোগদান করতে পারবো না।
এদিকে গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোজাহার আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, আমি নিয়োগ বোর্ডের সকল কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলাম স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু পরবর্তীতে নিয়োগ বোর্ডের সকল কাগজপত্র সভাপতি জব্দ করে নেয়। আমি তাদের (উর্ত্তীন প্রার্থীদের) বলেছি তোমাদের কি কাগজপত্র আছে নিয়ে আসো যোগদান করো। তারা বলেন সব না কি সভাপতি করবে। এমন কি নিয়োগ বোর্ডে উর্ত্তীন কোন প্রার্থী যোগদানের জন্য আমার কাছে আবেদন করে নাই। টাকা চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না বলে তিনি।