সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২৪’র ছাত্র আন্দোলনে রাজনৈতিক শিক্ষার সুতিকাগার বিএনপি: ড. মুহিত

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহিত বলেছেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট শাসনের বিরুদ্ধে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারাদেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে ঐকব্যদ্ধ করা হয়েছে। মানুষকে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনে গণতন্ত্র নেই, রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাট হচ্ছে, বিদেশে পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষকে প্রথম আমাদের দলই জানিয়েছে এই শাসনকেই বলে ফ্যাসিষ্ট শাসন।

 

তিনি বলেন, আমরা একটা জেনারেশনকে এই শিক্ষায় শিক্ষিত করেছি। আমাদের সন্তানেরা, আমাদের ভাই, ভাতিজা তারাই কিন্তু এই আদর্শে শিক্ষিত হয়ে ২৪ এর তরুণ ছাত্রদের আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাদের সেই রাজনৈতিক শিক্ষারও কিন্তু সুতিকাগার বিএনপি।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো গঠনের ৩১ দফার প্রচারকালে এসব কথা বলেন তিনি। টানা এক সপ্তাহ ধরে শাহজাদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করে সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করছেন ড. মুহিত।

 

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লা, বিপনী বিতানগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন তিনি।

 

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে ড. মুহিত বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন অপশক্তির সহাযোগীতায় একটা দীর্ঘমেয়াদী ফ্যাসিষ্ট শাসনের পরিকল্পনায় দেশব্যাপী অন্যায় অত্যাচার শুরু করে। আওয়ামী দুঃশাসনের প্রথম ২০১৪ সালের নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ১৫৪ আসনে নির্বাচনের আগেই তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট শাসনের শুরু থেকেই এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদে একটিমাত্র দল ছিল যেটি বিএনপি। বেগম খালেদা ও তারেক রহমান তাদের রাজনৈতিক দুরদৃষ্টি থেকে ২০১০ সালে বলেছিলেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও। আমরা তখন থেকেই বলেছি, এই রাষ্ট্রটিকে একটি করত রাষ্ট্র করার পরিকল্পনা করেছে। যারা প্রতিবাদ করেছে, তাদেরকে অত্যাচার ও নির্যাতন করা হয়েছে।

 

আমি ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলাম। তখন আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের মারধোর করে। পরদিন তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরই দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে। ভোটের দুদিন আগে আমি নির্বাচনী কমিটি নিয়ে মিটিং করছিলাম। সেদিন আমার বাড়ি দুই ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রেখে আমার সমস্ত লোককে গ্রেপ্তার করে।

84
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৪’র ছাত্র আন্দোলনে রাজনৈতিক শিক্ষার সুতিকাগার বিএনপি: ড. মুহিত

আপডেট টাইম : ০৪:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহিত বলেছেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট শাসনের বিরুদ্ধে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারাদেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে ঐকব্যদ্ধ করা হয়েছে। মানুষকে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনে গণতন্ত্র নেই, রাষ্ট্রের অর্থ লুটপাট হচ্ছে, বিদেশে পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষকে প্রথম আমাদের দলই জানিয়েছে এই শাসনকেই বলে ফ্যাসিষ্ট শাসন।

 

তিনি বলেন, আমরা একটা জেনারেশনকে এই শিক্ষায় শিক্ষিত করেছি। আমাদের সন্তানেরা, আমাদের ভাই, ভাতিজা তারাই কিন্তু এই আদর্শে শিক্ষিত হয়ে ২৪ এর তরুণ ছাত্রদের আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাদের সেই রাজনৈতিক শিক্ষারও কিন্তু সুতিকাগার বিএনপি।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো গঠনের ৩১ দফার প্রচারকালে এসব কথা বলেন তিনি। টানা এক সপ্তাহ ধরে শাহজাদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করে সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করছেন ড. মুহিত।

 

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লা, বিপনী বিতানগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন তিনি।

 

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে ড. মুহিত বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন অপশক্তির সহাযোগীতায় একটা দীর্ঘমেয়াদী ফ্যাসিষ্ট শাসনের পরিকল্পনায় দেশব্যাপী অন্যায় অত্যাচার শুরু করে। আওয়ামী দুঃশাসনের প্রথম ২০১৪ সালের নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ১৫৪ আসনে নির্বাচনের আগেই তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট শাসনের শুরু থেকেই এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদে একটিমাত্র দল ছিল যেটি বিএনপি। বেগম খালেদা ও তারেক রহমান তাদের রাজনৈতিক দুরদৃষ্টি থেকে ২০১০ সালে বলেছিলেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও। আমরা তখন থেকেই বলেছি, এই রাষ্ট্রটিকে একটি করত রাষ্ট্র করার পরিকল্পনা করেছে। যারা প্রতিবাদ করেছে, তাদেরকে অত্যাচার ও নির্যাতন করা হয়েছে।

 

আমি ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলাম। তখন আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের মারধোর করে। পরদিন তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরই দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে। ভোটের দুদিন আগে আমি নির্বাচনী কমিটি নিয়ে মিটিং করছিলাম। সেদিন আমার বাড়ি দুই ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রেখে আমার সমস্ত লোককে গ্রেপ্তার করে।