সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খনন, ঠিকাদারদের ৮ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

প্রতীকী ছবি।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় উর্বর কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আটটি পুকুরের ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোট ৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
‎রোববার সারাদিন ও সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে পুকুর খননে ব্যবহৃত ভেক্যু (এক্সাভেটর) মেশিনের ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।
এ অভিযান পরিচালনা করেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে নাজনীন নিশাত ও এহসান আহমেদ খাঁন।
‎অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী পুকুরের ঠিকাদারদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ থাকলেও ভবিষ্যতে পুকুর খনন না করার অঙ্গীকারে মুচলেকা দিয়ে তারা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত ঠিকাদাররা হলেন-গোলাম মোস্তফা (১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা), মো. মামুন (৭০ হাজার টাকা), মো. নাঈম হোসেন (৯০ হাজার টাকা), মো. রুহুল আমিন (৯০ হাজার টাকা), মো. মিসকান (১ লাখ টাকা), রুহুল আমিন (১ লাখ টাকা) ও মো. শাহ আলম সরকার (২ লাখ টাকা)।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন,
‎“কৃষিজমি ধ্বংস করে কোনোভাবেই অবৈধ পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। এতে ফসলহানি বাড়ছে, সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ। কোথাও অবৈধ পুকুর খননের খবর পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
84
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খনন, ঠিকাদারদের ৮ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ০৫:১৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় উর্বর কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আটটি পুকুরের ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোট ৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
‎রোববার সারাদিন ও সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে পুকুর খননে ব্যবহৃত ভেক্যু (এক্সাভেটর) মেশিনের ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।
এ অভিযান পরিচালনা করেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে নাজনীন নিশাত ও এহসান আহমেদ খাঁন।
‎অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী পুকুরের ঠিকাদারদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ থাকলেও ভবিষ্যতে পুকুর খনন না করার অঙ্গীকারে মুচলেকা দিয়ে তারা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত ঠিকাদাররা হলেন-গোলাম মোস্তফা (১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা), মো. মামুন (৭০ হাজার টাকা), মো. নাঈম হোসেন (৯০ হাজার টাকা), মো. রুহুল আমিন (৯০ হাজার টাকা), মো. মিসকান (১ লাখ টাকা), রুহুল আমিন (১ লাখ টাকা) ও মো. শাহ আলম সরকার (২ লাখ টাকা)।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন,
‎“কৃষিজমি ধ্বংস করে কোনোভাবেই অবৈধ পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। এতে ফসলহানি বাড়ছে, সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ। কোথাও অবৈধ পুকুর খননের খবর পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”