সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভ

বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভ

হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মরদেহ নিয়ে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন।

 

 

নিহত মিনা বনিক উল্লাপাড়া ঝিকিড়া গ্রামের স্বর্গীয় গনেষ বনিক এর স্ত্রী।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করতে গেলে ঘোষগাঁতী গ্রামের বাবলু ভৌমিক সৎকারে বাধা দেয়। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্ষুব্ধ সনাতনী সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও নিরাপদ সৎকারের দাবি জানায়।

 

 

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

অভিযুক্ত বাবলু ভৌমিকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, গতকাল রাতে ঝিকিড়া মহল্লার একজন বৃদ্ধা মারা যায়। রাতে তারা মহদেহটি উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করা হবে বলে মাইকিং করে এবং আমাকে ফোন দিয়ে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি চায় কিন্তু আমার কাছে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি নাই মর্মে জানিয়ে দেই।

 

 

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরিফ বলেন, আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা মহিলা মারা যায়। পরে তার নিহতের পরিবার মহাশ্মশানের চাবি চাইলে বাবলু ভৌমিক চাবি না দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলে চাবি দেওয়া হয়েছে।

 

 

এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য ৫ আগষ্টের আগে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে নামকরন ছিলো। বর্তমানে এখন ঘোঁষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান নাম করণ করা হয়েছে। আর এ নিয়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

84
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ম্যাচের আগে টিম হোটেলে বান্ধবীর সঙ্গে হার্দিক, অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০১:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মরদেহ নিয়ে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছে সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন।

 

 

নিহত মিনা বনিক উল্লাপাড়া ঝিকিড়া গ্রামের স্বর্গীয় গনেষ বনিক এর স্ত্রী।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করতে গেলে ঘোষগাঁতী গ্রামের বাবলু ভৌমিক সৎকারে বাধা দেয়। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্ষুব্ধ সনাতনী সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও নিরাপদ সৎকারের দাবি জানায়।

 

 

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

অভিযুক্ত বাবলু ভৌমিকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, গতকাল রাতে ঝিকিড়া মহল্লার একজন বৃদ্ধা মারা যায়। রাতে তারা মহদেহটি উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করা হবে বলে মাইকিং করে এবং আমাকে ফোন দিয়ে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি চায় কিন্তু আমার কাছে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি নাই মর্মে জানিয়ে দেই।

 

 

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরিফ বলেন, আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা মহিলা মারা যায়। পরে তার নিহতের পরিবার মহাশ্মশানের চাবি চাইলে বাবলু ভৌমিক চাবি না দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলে চাবি দেওয়া হয়েছে।

 

 

এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য ৫ আগষ্টের আগে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে নামকরন ছিলো। বর্তমানে এখন ঘোঁষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান নাম করণ করা হয়েছে। আর এ নিয়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।