সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তারেক রহমানের মন্ত্রীসভায় স্থান পেতে পারেন যারা

বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি। এরই মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা দিয়েছেন ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন করা হবে। এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের জন্য ৪৫টি গাড়ি প্রস্তুত করেছে। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

কেমন হবে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা—কারা স্থান পাবেন তার মন্ত্রিসভায়, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সচিবালয়, অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, এমনকি চায়ের দোকানেও চলছে এ নিয়ে আলোচনা। মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুও নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে।

 

বিএনপির একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিএনপির মিত্র দলগুলোর একাধিক শীর্ষ নেতাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে জাতীয় সরকারের আদলে মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। উচ্চশিক্ষিত ক্লিন ইমেজের কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

 

বিএনপির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এবার তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

 

ঢাকা-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জয়ী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। রাজধানীর অন্যতম আলোচিত এই আসনে বিজয়ের পর তাকে আবারও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর আগে তিনি একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। এ ছাড়া আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে পররাষ্ট্র অথবা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে।

২০০১ সালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবার পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ আইন অথবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। এ ছাড়া আইন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে আরও আলোচনায় রয়েছেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

একইভাবে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে সিরাজগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য ড.এম এ মুহিত।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া।

টেকনোক্র্যাট কোটায় চমক?
বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত সিনিয়র নেতা দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী করা হতে পারে বলে দলীয় অভ্যন্তরে আলোচনা রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ আলমগীর পাভেল আলোচনায় আছেন।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক নোয়াখালী-২ আসন থেকে ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ছিলেন। এবার তাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

টেকনোক্র্যাট কোটায় কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস শ্রমমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নামেও গুঞ্জন রয়েছে।

এ ছাড়া বিএনপির মহিলা নেত্রীদের মধ্যে শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে।

একই সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী টেকনোকেট কোটায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরের নামও আলোচনায় রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

জোট থেকে মন্ত্রী কে?
বিএনপির শরিক জোট থেকেও কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, জোনায়েদ সাকি।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল ও আজিজুল বারী হেলাল,ও ব্যারিস্টার মীর হেলালকে।

স্পিকার পদেও আলোচনা
জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, মুলাদী-বাবুগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

সূত্র: এশিয়া পোস্ট

78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের মন্ত্রীসভায় স্থান পেতে পারেন যারা

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি। এরই মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা দিয়েছেন ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন করা হবে। এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের জন্য ৪৫টি গাড়ি প্রস্তুত করেছে। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

কেমন হবে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা—কারা স্থান পাবেন তার মন্ত্রিসভায়, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সচিবালয়, অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, এমনকি চায়ের দোকানেও চলছে এ নিয়ে আলোচনা। মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুও নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে।

 

বিএনপির একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিএনপির মিত্র দলগুলোর একাধিক শীর্ষ নেতাকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে জাতীয় সরকারের আদলে মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। উচ্চশিক্ষিত ক্লিন ইমেজের কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

 

বিএনপির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এবার তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

 

ঢাকা-৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জয়ী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। রাজধানীর অন্যতম আলোচিত এই আসনে বিজয়ের পর তাকে আবারও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর আগে তিনি একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। এ ছাড়া আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে পররাষ্ট্র অথবা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে।

২০০১ সালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবার পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ আইন অথবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। এ ছাড়া আইন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে আরও আলোচনায় রয়েছেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

একইভাবে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে সিরাজগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য ড.এম এ মুহিত।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া।

টেকনোক্র্যাট কোটায় চমক?
বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত সিনিয়র নেতা দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী করা হতে পারে বলে দলীয় অভ্যন্তরে আলোচনা রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ আলমগীর পাভেল আলোচনায় আছেন।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক নোয়াখালী-২ আসন থেকে ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ছিলেন। এবার তাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

টেকনোক্র্যাট কোটায় কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস শ্রমমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নামেও গুঞ্জন রয়েছে।

এ ছাড়া বিএনপির মহিলা নেত্রীদের মধ্যে শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে।

একই সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী টেকনোকেট কোটায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরের নামও আলোচনায় রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

জোট থেকে মন্ত্রী কে?
বিএনপির শরিক জোট থেকেও কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, জোনায়েদ সাকি।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল ও আজিজুল বারী হেলাল,ও ব্যারিস্টার মীর হেলালকে।

স্পিকার পদেও আলোচনা
জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, মুলাদী-বাবুগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

সূত্র: এশিয়া পোস্ট