সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশের তিন পেসারের জন্য আইসিসির বড় সুখবর Logo প্রতিদ্বন্দ্বীহীন নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে জয় ৪৯ জনের Logo রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহে রাশিয়ার সময়সীমা Logo এসএসসি সনদ সার্ভারে আপলোড বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন Logo প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের গাড়িতে ধাক্কা, বাসচালক গ্রেপ্তার Logo বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বৃষ্টি, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি পরিত্যক্ত Logo ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩ মাসের বিশেষ সহায়তা ঘোষণা Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার

৮ বছরের নাহি হত্যা মামলায় নানা-নানির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আদালত প্রাঙ্গণে জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু। ছবি : সংগৃহীত

আট বছর আগে ঢাকার মেরাদিয়ায় ৮ বছরের শিশু সাফওয়ান আল নিনাদ হত্যা মামলায় তার মায়ের মামা জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু ও লুড্ডুর স্ত্রী খাদিজা আক্তার রাণীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডিতরা সম্পর্কে নিহতের নানা-নানি হন।

 

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

 

 

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার বলেন, ‘দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। ৯০ হাজার টাকা ভিকটিমের পরিবারকে দিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।’

রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজির হন। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার সময় ৮ বছর বয়সী নিনাদ বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০১৮ সালের ১৫ জুন রাতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন (ঈদের দিন) দুপুরে বাড়ির পাশে বেকারির পণ্যবাহী একটি ভ্যানগাড়ির ভেতরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। ওই দিনই অচেনা ব্যক্তিদের আসামি করে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন নিনাদের বাবা স্বপন বেপারী।

 

থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও পিবিআইয়ের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার আসে সিআইডির ওপর। তদন্ত পেয়ে তারা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। নিনাদের নানা জহিরুল সম্পত্তি দিতে না চাওয়ায় আসামিরা শিশুটিকে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে।

 

 

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জুন দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম। পরের বছর ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

 

 

 

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

বাংলাদেশের তিন পেসারের জন্য আইসিসির বড় সুখবর

৮ বছরের নাহি হত্যা মামলায় নানা-নানির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৮:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আট বছর আগে ঢাকার মেরাদিয়ায় ৮ বছরের শিশু সাফওয়ান আল নিনাদ হত্যা মামলায় তার মায়ের মামা জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু ও লুড্ডুর স্ত্রী খাদিজা আক্তার রাণীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডিতরা সম্পর্কে নিহতের নানা-নানি হন।

 

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

 

 

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার বলেন, ‘দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা যাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। ৯০ হাজার টাকা ভিকটিমের পরিবারকে দিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।’

রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজির হন। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার সময় ৮ বছর বয়সী নিনাদ বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০১৮ সালের ১৫ জুন রাতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন (ঈদের দিন) দুপুরে বাড়ির পাশে বেকারির পণ্যবাহী একটি ভ্যানগাড়ির ভেতরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। ওই দিনই অচেনা ব্যক্তিদের আসামি করে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন নিনাদের বাবা স্বপন বেপারী।

 

থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও পিবিআইয়ের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার আসে সিআইডির ওপর। তদন্ত পেয়ে তারা দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। নিনাদের নানা জহিরুল সম্পত্তি দিতে না চাওয়ায় আসামিরা শিশুটিকে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে।

 

 

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জুন দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম। পরের বছর ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

 

 

 

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।