সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

উল্লাপাড়ার কয়ড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায়, তৃণমূলের ভরসা সন্তোষ কুমার

দলের দুঃসময়ে মাঠে ছিলেন, সুসময়েও ব্যক্তি-স্বার্থে যাননি। এমন ত্যাগের রাজনীতির কারনেই সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ১৪ নং কয়ড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সন্তোষ কুমার সরকার।

 

 

 

দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে সক্রিয় রেখেছেন তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে যখন অনেকে নিষ্ক্রিয়, তখনও সন্তোষ কুমার মাঠে থেকে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নিয়মিত সাংগঠনিক সভা, মতবিনিময় এবং সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি দলের ভিত্তি শক্ত করেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

 

 

 

সমর্থকদের ভাষ্য, বিএনপি সরকার গঠনের পরও তিনি দলীয় পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেননি। বরং নিজস্ব অর্থায়নেই দলীয় কার্যক্রম ও বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে তৃণমূল থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে।

 

 

 

স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মতে, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকায় সন্তোষ কুমার ইতোমধ্যে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তার নেতৃত্বে ইউনিয়নে দলীয় ঐক্যও সুদৃঢ় হয়েছে।

 

 

 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় বড় ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা কয়ড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের।

 

 

 

এ বিষয়ে সন্তোষ কুমার সরকার বলেন, “দলের চরম দুর্দিনে নিজ অর্থায়নে সব দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। সরকার গঠনের পরও ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতিতে জড়াইনি। এখনো নিজস্ব অর্থায়নে সামাজিক, সাংগঠনিক ও মানবিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

 

 

 

তিনি বলেন, “দলের জন্য আমার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও শ্রম আছে। সবসময় ন্যায়ের পক্ষে ছিলাম। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। দলের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বিবেচনা করলে কয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পাব বলে আশাবাদী।”

 

 

 

এ সময় তিনি সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুশাসনভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

উল্লাপাড়ার কয়ড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায়, তৃণমূলের ভরসা সন্তোষ কুমার

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দলের দুঃসময়ে মাঠে ছিলেন, সুসময়েও ব্যক্তি-স্বার্থে যাননি। এমন ত্যাগের রাজনীতির কারনেই সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ১৪ নং কয়ড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সন্তোষ কুমার সরকার।

 

 

 

দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে সক্রিয় রেখেছেন তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে যখন অনেকে নিষ্ক্রিয়, তখনও সন্তোষ কুমার মাঠে থেকে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নিয়মিত সাংগঠনিক সভা, মতবিনিময় এবং সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি দলের ভিত্তি শক্ত করেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

 

 

 

সমর্থকদের ভাষ্য, বিএনপি সরকার গঠনের পরও তিনি দলীয় পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেননি। বরং নিজস্ব অর্থায়নেই দলীয় কার্যক্রম ও বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে তৃণমূল থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে।

 

 

 

স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মতে, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকায় সন্তোষ কুমার ইতোমধ্যে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তার নেতৃত্বে ইউনিয়নে দলীয় ঐক্যও সুদৃঢ় হয়েছে।

 

 

 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় বড় ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা কয়ড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের।

 

 

 

এ বিষয়ে সন্তোষ কুমার সরকার বলেন, “দলের চরম দুর্দিনে নিজ অর্থায়নে সব দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। সরকার গঠনের পরও ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতিতে জড়াইনি। এখনো নিজস্ব অর্থায়নে সামাজিক, সাংগঠনিক ও মানবিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

 

 

 

তিনি বলেন, “দলের জন্য আমার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও শ্রম আছে। সবসময় ন্যায়ের পক্ষে ছিলাম। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। দলের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বিবেচনা করলে কয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পাব বলে আশাবাদী।”

 

 

 

এ সময় তিনি সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুশাসনভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।