সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জলঢাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম কাঁঠালী কালীর ডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলছে। কোথাও পাঠদান বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চলছিল না।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরের আগেই শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে ছুটি দিয়ে চলে যান। ফলে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি ফিরে যায়।

এ বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময় কমে যাচ্ছে এবং তাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে মুঠোফোনে বলেন, “সরকারি নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

জলঢাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি

আপডেট টাইম : ০৬:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম কাঁঠালী কালীর ডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলছে। কোথাও পাঠদান বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চলছিল না।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরের আগেই শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে ছুটি দিয়ে চলে যান। ফলে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি ফিরে যায়।

এ বিষয়ে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময় কমে যাচ্ছে এবং তাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে মুঠোফোনে বলেন, “সরকারি নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”