বিস্তৃত আকাশ, চলনবিলের পানি, হাজার রকমের ফুল, পাখি আর সবুজের অদ্ভুত এক মেলবন্ধন ও দুপুরের কড়া রোদকে উপেক্ষা করে চলনবিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে কবিতাভাসান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দিনব্যাপী বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন বগুড়া লেখক চক্রের আয়োজনে বিলের বিশাল জলরাশিতে নৌকায় কবিতা পাঠ, বাউল গান, ঘাসি দেওয়ানের মাজার ভ্রমণ, আড্ডা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে কবিতাসমূহ অজানা পাঠকের উদ্দেশ্যে চলনবিলের পানিতে ভাসিয়ে দেন কবিরা।
সংগঠনের উপদেষ্টা এ্যাড. পলাশ খন্দকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ।
এ সময় তিনি বলেন, বগুড়ার সাতমাথা থেকে শুরু হয়ে তাড়াশ। আবার তাড়াশ থেকে চলনবিলের উদ্দেশ্যে রওনা এবং পথের ক্লান্তি কাটিয়ে কবিরা যখন চলনবিলের অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করার আনন্দ ভিন্ন রকম। পাশাপাশি বাউল গান আর তবলার তালে নেচে গেয়ে চলনবিল ভ্রমণকে নান্দনিক করে তুলেছে।
কবি-সাংবাদিক হাদিউল হৃদয়ের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি কবি ইসলাম রফিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বগুড়া প্রতিনিধি খোরশেদ আলম, তাড়াশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও কালের কণ্ঠ পত্রিকার তাড়াশ এর প্রতিনিধি প্রভাষক সনাতন দাশ, নয়াদিগন্ত তাড়াশ প্রতিনিধি লুৎফর রহমান, মানবজমিন চলনবিল প্রতিনিধি এম এ মাজেদ, তাড়াশ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীউল হক শামীম, দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম আশিফ। সাংবাদিকদের উপর লেখা প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজ’ুর বই প্রধান অতিথিকে উপহার দেন তাড়াশ উপজেলার সাংবাদিকরা।
চলনবিলের ভাসমান নৌকায় স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন, কবি সিকতা কাজল, কবি বিশ্বজিৎ দাশ, কবি জীবন সাহা, কবি অসীম বাহাদুর, কবি শাকিবুল শাকিল, কবি মীর এনামুল হক, কবি হাবিব মন্ডল, কবি শফিক সিদ্ধার্থ, কবি আমিনুর আকাশ, কবি মাহমুদ কাওছার প্রমূখ।
কবিতা পাঠ শেষে প্রধান অতিথি পাঠকৃত কবিতাসমূহ অজানা পাঠকের উদ্দেশ্যে চলনবিলের পানিতে ভাসিয়ে দেন। কবিতাভাসান শেষে কবিরা একরাশ মুগ্ধতা আর আবার ফিরে আসার স¦প্ন নিয়ে বাড়ি ফিরে, ঠিক তখন পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ কবিদেরকে মুচকি হেসে বিদায় জানায়।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম। 




















