ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী থানার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ (হাজীপাড়া) গ্রামে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রায় ১২০টি সুপারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪০ নং মাদারগঞ্জ মৌজার সিএস ১০৬৮ নং খতিয়ানের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই খতিয়ানে পান মোহাম্মদ সরকার, জবেদ আলী ও পিয়ার উদ্দীন সরকারের নামে মালিকানার তথ্য রয়েছে। অন্যদিকে, এসএ ১২৬৩ নং খতিয়ানে ছোবান আলীর নাম রয়েছে, যার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা জমির মালিকানা দাবি করে আসছেন।
মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে এসএ খতিয়ানভুক্ত ওয়ারিশরা ঠাকুরগাঁওয়ের বিজ্ঞ সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি নিষেধাজ্ঞার মামলা (মামলা নং- ৬২) দায়ের করেন। আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষকে গমনাগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের স্থিতাবস্থা বা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থাতেই এক পক্ষ বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রবেশ করে প্রতিপক্ষের রোপণ করা প্রায় ১২০টি সুপারি গাছ কেটে ফেলে। এ সময় রফিকুল, মাজেদুল, নুর ইসলাম, আব্দুল মজিদসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগকারীরা জানান। কেটে ফেলা গাছগুলো রফিকুল ও মাজেদুলের ভ্যানগাড়িতে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার চিত্র স্থানীয় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা দ্রুত কাগজপত্র যাচাই করে আইনগত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের তদন্তের পর ঘটনার আসল সত্যতা জানা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহিন আলম, ভূল্লী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 




















