সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জলঢাকা বুড়ি তিস্তা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের হিড়িক

নীলফমারী জেলার জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার ( ২৮ আগষ্ট) সকালে জলঢাকা উপজেলার  গোলমুন্ডা ও ডাউয়াবাড়ী  ইউনিয়নের নাড্ডাপাড়া এক কপাটি ব্রীজ  এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে অবেভভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়।
এ সময় বুড়িতিস্তা নদীর  ঘাটের পার বালুর পয়েন্ট, নাড্ডাপাড়া বালুর পয়েন্ট, সাত কপাটি ব্রীজের পাশে বালুর পয়েন্ট, কুটিপাড়া আবাসন এলাকায় বালুর পয়েন্ট, ডিবুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বুড়িতিস্তা নদীর বালুর পয়েন্ট,  এ সব জায়গায় সকাল ৬টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৭ টা হতে রাত ১ টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করা হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
১৫ থেকে ২০ টা  টলী  দিয়ে বালু উত্তোলন ও নদীর বাঁধ কেটে  সেগুলো বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে বালু খেকো সিন্ডিকেট।
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীদের নির্বিচার বালু উত্তোলনের ফলে এলাকাবাসী নদীভাঙনে সহায়-সম্পদ হারানোর আশংকা করছে। নদীভাঙনে এমন কি বুড়িতিস্তা নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে  কয়েক টি গ্রাম বলে তাদের আশংকা।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, বালু ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তারা এই অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ করতে পারছে না। স্থানীয় প্রশাসন মাঝে-মধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি পুড়িয়ে দিলেও বালু উত্তোলন থামছে না। কয়েকদিন পরেই আবার নতুনভাবে বালু উত্তোলন  শুরু হচ্ছে। আইন অনুযায়ী খোলা স্থান ও নদীবক্ষ থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বালু ব্যবসায়ীরা আইনকে অমান্য ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে  বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় আবাদী জমি, ব্রীজ ও রাস্তাঘাট ও তিস্তা নদীর বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে ।
স্থানীয় জনগণ নদী ও বাঁধ  রক্ষার জন্য  অতি  দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যাতে করে বালু খেকো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত  আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

জলঢাকা বুড়ি তিস্তা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের হিড়িক

আপডেট টাইম : ০৬:৩১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
নীলফমারী জেলার জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার ( ২৮ আগষ্ট) সকালে জলঢাকা উপজেলার  গোলমুন্ডা ও ডাউয়াবাড়ী  ইউনিয়নের নাড্ডাপাড়া এক কপাটি ব্রীজ  এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে অবেভভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়।
এ সময় বুড়িতিস্তা নদীর  ঘাটের পার বালুর পয়েন্ট, নাড্ডাপাড়া বালুর পয়েন্ট, সাত কপাটি ব্রীজের পাশে বালুর পয়েন্ট, কুটিপাড়া আবাসন এলাকায় বালুর পয়েন্ট, ডিবুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বুড়িতিস্তা নদীর বালুর পয়েন্ট,  এ সব জায়গায় সকাল ৬টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৭ টা হতে রাত ১ টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করা হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
১৫ থেকে ২০ টা  টলী  দিয়ে বালু উত্তোলন ও নদীর বাঁধ কেটে  সেগুলো বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে বালু খেকো সিন্ডিকেট।
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীদের নির্বিচার বালু উত্তোলনের ফলে এলাকাবাসী নদীভাঙনে সহায়-সম্পদ হারানোর আশংকা করছে। নদীভাঙনে এমন কি বুড়িতিস্তা নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে  কয়েক টি গ্রাম বলে তাদের আশংকা।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, বালু ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তারা এই অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ করতে পারছে না। স্থানীয় প্রশাসন মাঝে-মধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি পুড়িয়ে দিলেও বালু উত্তোলন থামছে না। কয়েকদিন পরেই আবার নতুনভাবে বালু উত্তোলন  শুরু হচ্ছে। আইন অনুযায়ী খোলা স্থান ও নদীবক্ষ থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বালু ব্যবসায়ীরা আইনকে অমান্য ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে  বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় আবাদী জমি, ব্রীজ ও রাস্তাঘাট ও তিস্তা নদীর বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে ।
স্থানীয় জনগণ নদী ও বাঁধ  রক্ষার জন্য  অতি  দ্রুত উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যাতে করে বালু খেকো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত  আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।।