ব্রিটিশ রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে ২০২০ সালে স্বাধীন জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। ছয় বছর পর গত আগস্টে তারা তাদের দুই সন্তান আর্চি ও লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে বসবাস শুরু করেন। রাজপরিবারে তাদের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে চলছিল গুঞ্জন।
রাজা তৃতীয় চার্লস সেই গুঞ্জনের সমাপ্তি টেনেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে হ্যারি ও মেগানকে বিবেচনা করা হবে না। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লর্ড চেম্বারলেনের জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, হ্যারি-মেগানের যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর তাদের অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো ‘সন্দেহ বা বিভ্রান্তি’ না থাকে, সে কারণেই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রাজপরিবার থেকে জারি করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি ও মেগান রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে তারা এখন আর রাজপরিবারের অফিসিয়ালি ‘এইচআরএইচ’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হুথি হামলা, নারী-শিশুসহ আহত ৭৩
জানা যায়, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ বা প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই হ্যারি ও মেগান আকস্মিকভাবে ২০২০ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেন যে, তারা রাজপরিবারের ‘সিনিয়র’ সদস্যের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রানি এলিজাবেথ তখন একটি পারিবারিক বৈঠক ডাকেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে, হ্যারি-মেগান আর রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না এবং সরকারি কোনো অনুদান পাবেন না।
পরে হ্যারি ও মেগান যুক্তরাজ্য ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া পাড়ি জমান। তাদের এ সিদ্ধান্তটি তখন বিশ্বজুড়ে ‘মেগজিট’ নামে পরিচিতি পায়।
সূত্র : বিবিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 





















One thought on “রাজকীয় পরিচয়ের ‘উপাধি’ হারাচ্ছেন হ্যারি ও মেগান”