সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

চিকিৎসকদের ভুয়া ডিগ্রি প্রদর্শন ও বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। ছবি: সংগৃহীত

নামের সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদনহীন ডিগ্রি বা পদবি ব্যবহার, চেম্বার ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং ভিজিটিং কার্ড, প্যাড ও সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের বিষয়ে চিকিৎসকদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বিএমডিসি।

 

 

 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কাউন্সিলে নিবন্ধিত সব চিকিৎসককে এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

 

 

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু চিকিৎসক নামের সঙ্গে বিএমডিসির অনুমোদনহীন বিভিন্ন ডিগ্রিসূচক পদবি ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ধরনের পদবি ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা রয়েছে—এমন ধারণা তৈরি হতে পারে, যা আইনবহির্ভূত।

 

 

 

বিএমডিসির আইনের ২৯ ধারার উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বীকৃত মেডিকেল বা ডেন্টাল শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া কোনো চিকিৎসক এমন নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না, যাতে অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতার ধারণা তৈরি হয়। একই সঙ্গে এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিবারের পুনরাবৃত্তির জন্য অতিরিক্ত কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 

বিএমডিসি আরও জানিয়েছে, কিছু চিকিৎসক তাদের চেম্বার ও চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত ছবি ও বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে সংবাদপত্র, টেলিভিশন, টকশো, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। এমন প্রচারের ক্ষেত্রে কাউন্সিলের ‘কোড অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট, এটিকেট অ্যান্ড এথিকস’-এর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

 

 

 

 

কোনো চিকিৎসকের হয়ে অন্যকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের প্রচার চালালেও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক তা প্রতিরোধ না করলে তার দায় থাকবে বলে সতর্ক করেছে বিএমডিসি।

 

 

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে প্রতারণামূলক উপস্থাপন ঠেকাতে অভিযোগগুলোর বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও পৃষ্ঠপোষকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

 

 

 

জনবিভ্রান্তি এড়াতে নিবন্ধিত সব চিকিৎসককে তাদের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিজিটিং কার্ড, প্রেসক্রিপশন প্যাড ও সাইনবোর্ডে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শনের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে কাউন্সিল।

 

 

 

 

বিএমডিসি জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও পেশাগত আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

চিকিৎসকদের ভুয়া ডিগ্রি প্রদর্শন ও বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ

আপডেট টাইম : ০৯:১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নামের সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদনহীন ডিগ্রি বা পদবি ব্যবহার, চেম্বার ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং ভিজিটিং কার্ড, প্যাড ও সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের বিষয়ে চিকিৎসকদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বিএমডিসি।

 

 

 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কাউন্সিলে নিবন্ধিত সব চিকিৎসককে এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

 

 

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু চিকিৎসক নামের সঙ্গে বিএমডিসির অনুমোদনহীন বিভিন্ন ডিগ্রিসূচক পদবি ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ধরনের পদবি ব্যবহারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা রয়েছে—এমন ধারণা তৈরি হতে পারে, যা আইনবহির্ভূত।

 

 

 

বিএমডিসির আইনের ২৯ ধারার উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বীকৃত মেডিকেল বা ডেন্টাল শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া কোনো চিকিৎসক এমন নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না, যাতে অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতার ধারণা তৈরি হয়। একই সঙ্গে এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিবারের পুনরাবৃত্তির জন্য অতিরিক্ত কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 

বিএমডিসি আরও জানিয়েছে, কিছু চিকিৎসক তাদের চেম্বার ও চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত ছবি ও বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে সংবাদপত্র, টেলিভিশন, টকশো, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। এমন প্রচারের ক্ষেত্রে কাউন্সিলের ‘কোড অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট, এটিকেট অ্যান্ড এথিকস’-এর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

 

 

 

 

কোনো চিকিৎসকের হয়ে অন্যকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের প্রচার চালালেও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক তা প্রতিরোধ না করলে তার দায় থাকবে বলে সতর্ক করেছে বিএমডিসি।

 

 

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে প্রতারণামূলক উপস্থাপন ঠেকাতে অভিযোগগুলোর বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও পৃষ্ঠপোষকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

 

 

 

জনবিভ্রান্তি এড়াতে নিবন্ধিত সব চিকিৎসককে তাদের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিজিটিং কার্ড, প্রেসক্রিপশন প্যাড ও সাইনবোর্ডে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শনের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে কাউন্সিল।

 

 

 

 

বিএমডিসি জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও পেশাগত আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।