সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ: আত্মগোপনে এসআই

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ি। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশে সন্দেহজনক পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই মামুন উর-রশিদের ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর তাকে ফাঁড়ি ও বাসায় পাওয়া যায়নি। তার এই আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ বিভাগে চলছে আলোচনা।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এসআই মামুনের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ডোপ টেস্টের জন্য তাকে খোঁজ করা হলে ফাঁড়ি ও তার বাসায় গিয়েও পাওয়া যায়নি। এতে বোঝা যাচ্ছে, তিনি আত্মগোপনে গেছেন।

 

 

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে বর্তমানে ১৮ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত। তাদের মধ্যে এসআই মামুন উর-রশিদের আচরণ নিয়ে সন্দেহ হলে তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডোপ টেস্টের বিষয়টি জানার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি থেকে উধাও হন। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে এসআই মামুন উর-রশিদ মাদক গ্রহণ করেছেন—এমন কোনো বিষয় এখনো ডোপ টেস্টের মাধ্যমে এখনো প্রমাণিত হয়নি। তিনি কেন ফাঁড়ি ও বাসায় ছিলেন না, সেটিও স্পষ্ট নয়। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

 

 

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই এসআই মামুন উর-রশিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

 

 

 

চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, দুদিন এসআই মামুনের বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে; কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও মঙ্গলবার থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তার ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। তাই ধরে নিচ্ছি তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ: আত্মগোপনে এসআই

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশে সন্দেহজনক পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই মামুন উর-রশিদের ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর তাকে ফাঁড়ি ও বাসায় পাওয়া যায়নি। তার এই আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ বিভাগে চলছে আলোচনা।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এসআই মামুনের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ডোপ টেস্টের জন্য তাকে খোঁজ করা হলে ফাঁড়ি ও তার বাসায় গিয়েও পাওয়া যায়নি। এতে বোঝা যাচ্ছে, তিনি আত্মগোপনে গেছেন।

 

 

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে বর্তমানে ১৮ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত। তাদের মধ্যে এসআই মামুন উর-রশিদের আচরণ নিয়ে সন্দেহ হলে তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ডোপ টেস্টের বিষয়টি জানার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি থেকে উধাও হন। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে এসআই মামুন উর-রশিদ মাদক গ্রহণ করেছেন—এমন কোনো বিষয় এখনো ডোপ টেস্টের মাধ্যমে এখনো প্রমাণিত হয়নি। তিনি কেন ফাঁড়ি ও বাসায় ছিলেন না, সেটিও স্পষ্ট নয়। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

 

 

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ফাঁড়িতে কর্মরত সদস্যদের মধ্যে যাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই এসআই মামুন উর-রশিদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

 

 

 

চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, দুদিন এসআই মামুনের বাসায় পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে; কিন্তু তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও মঙ্গলবার থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তার ডোপ টেস্ট করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। তাই ধরে নিচ্ছি তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।