সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের সাক্ষাৎ, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে আলোচনা

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। এসময় জার্মানির প্রতিনিধিল বাংলাদেশের জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে উপকূলে তেল-গ্যাস কূপের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছে।

 

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ) মো. রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

সাক্ষাতে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে। জার্মানি ও বাংলাদেশ উভয়েই গণতান্ত্রিক ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে আমাদের গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছিল। পরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারংবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে এ দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হয়। সেই প্রেক্ষিতে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারবার উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তারা কখনো বিচ্যুত হয় নাই।’

 

 

 

 

 

জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম করেছে। বর্তমান সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

 

 

 

 

 

এ সময় রাষ্ট্রদূত এ দেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

 

 

 

 

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস কূপ অনুসন্ধান ও সার কারখানা স্থাপনে গুরুত্বারোপ করেন।

 

 

 

 

 

এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার গ্যাস ও তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল মর্মে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অভিহিত করেন।

 

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

One thought on “জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের সাক্ষাৎ, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে আলোচনা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের সাক্ষাৎ, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে আলোচনা

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। এসময় জার্মানির প্রতিনিধিল বাংলাদেশের জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে উপকূলে তেল-গ্যাস কূপের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছে।

 

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ) মো. রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

সাক্ষাতে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জার্মানির পর্যবেক্ষক দলের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়েছে। জার্মানি ও বাংলাদেশ উভয়েই গণতান্ত্রিক ক্ষেত্রে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ।

আরও পড়ুন: পে-স্কেলে অধিকাংশ ভাতা বাড়ছে, কমছে বাড়িভাড়া-ইনক্রিমেন্ট

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘসময় ধরে শোষণের শিকার হয়েছে। পাকিস্তান আমলে আমাদের গণতান্ত্রিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছিল। পরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণ বারংবার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে এ দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গুম, খুন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হয়। সেই প্রেক্ষিতে দেশে পুনরায় গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজেদের বারবার উৎসর্গ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তারা কখনো বিচ্যুত হয় নাই।’

 

 

 

 

 

জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম করেছে। বর্তমান সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

 

 

 

 

 

এ সময় রাষ্ট্রদূত এ দেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে জার্মান সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

 

 

 

 

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় কমিটি গঠন, মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির প্রসার, অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস কূপ অনুসন্ধান ও সার কারখানা স্থাপনে গুরুত্বারোপ করেন।

 

 

 

 

 

এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় এলাকার গ্যাস ও তেল সম্পদ অনুসন্ধানে জার্মানির বিশেষজ্ঞ দলকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ অর্থনীতি জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল মর্মে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অভিহিত করেন।

 

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।