সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে টাঙ্গাইলে বিএনপি প্রার্থী আযম খানকে শোকজ

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খান। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

এ ছাড়া সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

 

জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন।

এ অভিযোগ পেয়ে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১. ৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠান।

 

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বক্তব্যে বলেছেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বারের নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেবে।’

 

 

এ ছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও যাচাই করে সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

 

 

অপরদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের সাথে সংযুক্ত ছবিসমূহ পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

 

 

ফলে তাদের দুজনকে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতের কাছে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে টাঙ্গাইলে বিএনপি প্রার্থী আযম খানকে শোকজ

আপডেট টাইম : ০৬:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

এ ছাড়া সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

 

জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন।

এ অভিযোগ পেয়ে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্মারক নম্বর ০৫.৪১. ৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ মূলে গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠান।

 

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বক্তব্যে বলেছেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বারের নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেবে।’

 

 

এ ছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও যাচাই করে সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

 

 

অপরদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের সাথে সংযুক্ত ছবিসমূহ পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

 

 

ফলে তাদের দুজনকে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতের কাছে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।