সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিজয়ী প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবেই আপনি জিতেছেন। আগামীর সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জ গড়তে এবং সকল দলমতের মানুষের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে আপনি অবস্থান নেবেন এটাই প্রত্যাশা করছি।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি দলীয় নেতাকর্মী, নির্বাচনী এলাকার ভোটার, প্রশাসন ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পাঠকদের জন্য মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো, “ আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ তায়ালার ফায়সালার উপর আমি সন্তুষ্ট। আমি সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের নব নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।
একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবেই আপনি জিতেছেন। আগামীর সম্মৃদ্ধ সিরাজগঞ্জ গড়তে এবং সকল দলমতের মানুষের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে আপনি অবস্থান নিবেন এই প্রত্যাশা করছি।
আমি চির ঋণী হয়ে রইলাম যারা অনেক প্রতিকূলতা, বাঁধা ও লোভ লালসা উপেক্ষা করে আমার পক্ষে কাজ করেছেন, ভরসা দিয়েছেন, আর্থিকভাবে সাহায্য করেছেন এবং আমার প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। সকল পরিস্থিতিতে আমি আপনাদের সাথেই আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সিভিল প্রশাসন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, Rab, বিজিবি, আনসার, গোয়েন্দা সংস্থা, শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন সাংবাদিকদের প্রতি যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে নিউজ কাভার করেছেন।
প্রবাসীদের প্রতি অশেষ ভালোবাসা যারা আমাকে পোস্টাল ভোটে বিজয়ী করার পাশাপাশি বিভিন্ন সহযোগিতা করেছেন। যারা বিভিন্নভাবে হামলা ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন তাদেরকে সহানুভূতি জানাই। বিশেষ করে আমার সম্মানিত মা বোনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যারা মন উজার করে আমার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। ছাত্র যুবক ভাইদের ভুমিকা আমাকে চিরঋণী করে রাখবে।
সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ উপজেলা এবং পোস্টাল ব্যালটের যোগফল অনুযায়ী ধানের শীষ ১,৭৭,৫৭৮ এবং দাঁড়িপাল্লা ১,৩৮,৭৯৭ ভোট পেয়েছে। আমি চেষ্টা করেছি একটি সৌহার্দপূর্ণ নির্বাচন করার। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ব্যক্তিগত নয় রাজনৈতিক সমালোচনা করাই ছিল আমার রুচি।
নির্বাচনী প্রচার অভিযানে যত ব্যর্থতা ও সীমাবদ্ধতা তার জন্য আমি দায়ী । যেটুকু অর্জন সবটুকুই সম্ভব হয়েছে আমাদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও বিশেষ করে কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে। আল্লাহ তায়ালার কাছে তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান কামনা করছি।
প্রিয় সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দবাসী, আপনাদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। সত্যি সত্যিই আমি অভিভূত। আপনাদের সাথেই আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















