সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এমপিদের নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা, জরুরি টাকা পাঠানোর বার্তা

‘জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান’, ‘৩০ হাজার টাকা পাঠান’- এমন বার্তা পাঠিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। মুঠোফোনের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ হ্যাক, ভয়েস ক্লোন এবং স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার ঘটনায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা এর শিকার হচ্ছেন।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে এ বিষয়ে সতর্ক করেন চিফ হুইপ।

 

 

 

 

চিফ হুইপ বলেছেন, ‘পত্রিকায় এসেছে মোবাইল ফোনে… আমি কালকে এখানে পেয়েছি, আমাকে তিনজন সংসদ সদস্য বলেছেন জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান, ৩০ হাজার টাকা পাঠান, আবার ২৫ হাজার টাকা পাঠান। তিনটা নম্বর থেকে এসেছে। যাদের নম্বর থেকে এসেছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কল করেছিলাম কিন্তু ধরেননি। মানে মোবাইল (নম্বর) হ্যাক হয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি আপনারা জানলে সারা বাংলা জানবে বলে মনে করি। টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ জানুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে কাজটা করছে, কিছু কিছু মানুষ স্বাক্ষর জাল করে একটি কাগজ হাজির করছে, সেটাও সমস্যা হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকার দলের সদস্যদেরও হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্যদের সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান চিফ হুইপ।

 

 

 

 

এ সময় চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘বিষয়টি যখন উঠালেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে কিছু বলবেন না? ক্লোন হয় না হয়, সেটা তো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাদের হচ্ছে, তারা তো সেটার জন্য দায়ী নয়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের, নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে বলার থাকলে বলেন।’

 

 

 

 

জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে গতকালই (বুধবার) কথা হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিটিআরসি শুরু করেছে। যাতে এ সমস্যার সমাধান করতে পারি।’

 

 

 

 

এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘সব লবিতে ফেস রিডিং ডিভাইস রয়েছে। সেখানে ফেস রিডিং করা হয় না, ১২০ থেকে ১২২ জনের মতো হয়। আমাকে সংসদ থেকে অবহিত করা হয়েছে, যাতে সব সংসদ সদস্য ফেস রিডিং করে সংসদ কক্ষে ঢোকেন। আজ যেন যাওয়ার সময় সব সদস্য ফেস রিডিং করে যান।’

One thought on “এমপিদের নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা, জরুরি টাকা পাঠানোর বার্তা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিদের নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা, জরুরি টাকা পাঠানোর বার্তা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান’, ‘৩০ হাজার টাকা পাঠান’- এমন বার্তা পাঠিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। মুঠোফোনের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ হ্যাক, ভয়েস ক্লোন এবং স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার ঘটনায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা এর শিকার হচ্ছেন।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে গিয়ে এ বিষয়ে সতর্ক করেন চিফ হুইপ।

 

 

 

 

চিফ হুইপ বলেছেন, ‘পত্রিকায় এসেছে মোবাইল ফোনে… আমি কালকে এখানে পেয়েছি, আমাকে তিনজন সংসদ সদস্য বলেছেন জরুরি ভিত্তিতে ৫০ হাজার টাকা পাঠান, ৩০ হাজার টাকা পাঠান, আবার ২৫ হাজার টাকা পাঠান। তিনটা নম্বর থেকে এসেছে। যাদের নম্বর থেকে এসেছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কল করেছিলাম কিন্তু ধরেননি। মানে মোবাইল (নম্বর) হ্যাক হয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি আপনারা জানলে সারা বাংলা জানবে বলে মনে করি। টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ জানুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে কাজটা করছে, কিছু কিছু মানুষ স্বাক্ষর জাল করে একটি কাগজ হাজির করছে, সেটাও সমস্যা হয়েছে। বিরোধী দলের অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকার দলের সদস্যদেরও হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্যদের সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান চিফ হুইপ।

 

 

 

 

এ সময় চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘বিষয়টি যখন উঠালেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব কার? রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে কিছু বলবেন না? ক্লোন হয় না হয়, সেটা তো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাদের হচ্ছে, তারা তো সেটার জন্য দায়ী নয়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের, নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রের। সে বিষয়ে বলার থাকলে বলেন।’

 

 

 

 

জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে গতকালই (বুধবার) কথা হয়েছে। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা বিটিআরসি শুরু করেছে। যাতে এ সমস্যার সমাধান করতে পারি।’

 

 

 

 

এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘সব লবিতে ফেস রিডিং ডিভাইস রয়েছে। সেখানে ফেস রিডিং করা হয় না, ১২০ থেকে ১২২ জনের মতো হয়। আমাকে সংসদ থেকে অবহিত করা হয়েছে, যাতে সব সংসদ সদস্য ফেস রিডিং করে সংসদ কক্ষে ঢোকেন। আজ যেন যাওয়ার সময় সব সদস্য ফেস রিডিং করে যান।’