সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ওবায়দুল মুক্তাদিরসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ফাঁসির দাবিতে হেফাজতের বিক্ষোভ

২০১৩ সালের শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

 

 

 

 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুফতি মুবারকুল্লাহ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব সাজিদুর রহমান।

 

 

 

বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাগুলোর বিচার দাবি করেন। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাজিদুর রহমান বলেন, ‘শাপলা চত্বরের নৃশংস গণহত্যা, মোদিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের রক্ত এবং চব্বিশের জুলাই গণহত্যা—কোনোটিই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসর খুনি ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের গণহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি দাবি করছি।’

 

 

সভাপতির বক্তব্যে মুফতি মুবারকুল্লাহ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো রক্তচোষা আওয়ামী সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। হাজারো আলেম-ওলামা ও নিরীহ জনতার রক্তের দায় নিয়ে খুনিদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে। অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আলী আজম, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা তানভিরুল হক ভূঁইয়া, জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি বুরহান উদ্দীন কাসেমীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ওবায়দুল মুক্তাদিরসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ফাঁসির দাবিতে হেফাজতের বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

২০১৩ সালের শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

 

 

 

 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মুফতি মুবারকুল্লাহ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব সাজিদুর রহমান।

 

 

 

বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাগুলোর বিচার দাবি করেন। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাজিদুর রহমান বলেন, ‘শাপলা চত্বরের নৃশংস গণহত্যা, মোদিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের রক্ত এবং চব্বিশের জুলাই গণহত্যা—কোনোটিই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসর খুনি ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের গণহত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি দাবি করছি।’

 

 

সভাপতির বক্তব্যে মুফতি মুবারকুল্লাহ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো রক্তচোষা আওয়ামী সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। হাজারো আলেম-ওলামা ও নিরীহ জনতার রক্তের দায় নিয়ে খুনিদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে। অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আলী আজম, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা তানভিরুল হক ভূঁইয়া, জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি বুরহান উদ্দীন কাসেমীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।