প্রতিবেদক, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ):
সাংবাদিককে অপহরণ করে মারধরের ঘটনায় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা ছাত্রদল। বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মুন্না সরকার উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
গত বুধবার উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাহমুদুল হাসান এবং সদস্য সচিব তানভীর ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভদ্রঘাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মুন্না সরকারকে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো মর্মে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তানভীর ইসলাম বলেন, সম্প্রতি একজন সাংবাদিককে অপহরণ করে মারপিটের বিষয়ে অবগত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে উপজেলা ছাত্রদল। এরপর সাংবাদিককে অপহরণের এবং মারপিটের ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্না সরকারকে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ সকল পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা ছাত্রদল। উপজেলা ছাত্রদল ইতিপূর্বে কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি ভবিষ্যতেও কোন অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করবে না এবং কোন ব্যক্তির দায় দল নেবে না।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যমে মুন্না সরকারের নানা অপকর্মের খবর প্রকাশ করে আসছিলেন জনতার আলো নামক একটি সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিক রুবেল তালুকদার। এর জের ধরে এ সাংবাদিককে অপহরণ করে মুন্না সরকারসহ তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি। এরপর সাংবাদিক রুবেল তালুকদারের পরিবার সিরাজগঞ্জ সেনা ক্যাম্পে খবর দেন। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় তাকে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

রিপোর্টার: 






















আমি সেই বক্তব্যকে সাংবাদিক রুবেল তালুকদার।
বহিষ্কার করা হলেও কয়েকদিন পরেই বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে বহন করা হয়।
এছাড়া অপরাধীরা এতই শক্তিশালীদের আমি থানায় মামলা রুজু করতে পারি নাই।
আমি সকল সাংবাদিক ভাইদেরকে আবারও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বহিষ্কার করার মুন্না সরকারকে আবারও দলে পূর্ণবহন করে। ছাড়া আমি এখন পর্যন্ত থানায় মামলার অজু করতে পারি নাই। প্রভাবশালীরা এতই শক্তিশালী সাংবাদিক হয়েও আমি এই অপহরণের মতো এত বড় গুরুতর অপরাধী বিচার পেলাম না। আমি আবারও সকল সাংবাদিক ভাইদেরকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি