সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

কীটনাশকেও মিলছে না সমাধান, দিশেহারা রাণীনগরের বেগুন চাষিরা

ai

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বেগুন চাষিরা পোকার আক্রমণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা।
এলাকার কৃষক জাহাঙ্গীর আলম  বলেন, “প্রতি সপ্তাহে দুই-তিনবার কীটনাশক দিচ্ছি, তারপরও লঁবেগুনের ভেতরে পোকা ঢুকে যাচ্ছে। খরচ বাড়ছে, কিন্তু ফলন ভালো পাচ্ছি না।”
আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম  জানান, “আগে যে ওষুধ দিলে পোকা মরত, এখন সেই ওষুধেও কাজ হচ্ছে না। মনে হয় পোকাগুলো ওষুধ সহ্য করার ক্ষমতা পেয়ে গেছে।”
স্থানীয় কৃষক আমিরুল বলেন, “আমাদের সংসার এই বেগুন চাষের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এবার পোকার কারণে বেগুনের মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে।তাছাড়া জমি থেকে বেগুন তুললে দেখা যাচ্ছে চার ভাগের তিন ভাগেই পোকা আছে অর্থ্যাৎ বেশির ভাগ বেগুনই পোকাধরা। তাই দাম বেশি হলেও লাভবান হতে পারছিনা।”
কৃষক সেকেন আলী অভিযোগ করেন, “বাজারে যে দোকানদাররা কীটনাশক বিক্রি করে, তারা যে পরামর্শ দিয়ে আমাদের হাতে যে ঔষধ দেয় সেগুলো আমরা নিয়ে আসি,সেসকল ঔষধেরআমরা ভালো ফলাফল পাইনা। কোন ওষুধ কোন পোকার জন্য কার্যকর, তা অনেক সময় আমরা জানিই না।”
স্থানীয় আরেক জাকির হোসেন বলেন, “কৃষি অফিসের লোকজন যদি মাঝে মাঝে এসে মাঠ পরিদর্শন করত এবং সঠিক পরামর্শ দিত, তাহলে আমাদের এই ক্ষতি হয়তো কম হতো।”
এলাকার কৃষকরা অবিলম্বে কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে সঠিক ও কার্যকর কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ পেয়ে তারা ফসল রক্ষা করতে পারেন

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

কীটনাশকেও মিলছে না সমাধান, দিশেহারা রাণীনগরের বেগুন চাষিরা

আপডেট টাইম : ০১:৫২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বেগুন চাষিরা পোকার আক্রমণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা।
এলাকার কৃষক জাহাঙ্গীর আলম  বলেন, “প্রতি সপ্তাহে দুই-তিনবার কীটনাশক দিচ্ছি, তারপরও লঁবেগুনের ভেতরে পোকা ঢুকে যাচ্ছে। খরচ বাড়ছে, কিন্তু ফলন ভালো পাচ্ছি না।”
আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম  জানান, “আগে যে ওষুধ দিলে পোকা মরত, এখন সেই ওষুধেও কাজ হচ্ছে না। মনে হয় পোকাগুলো ওষুধ সহ্য করার ক্ষমতা পেয়ে গেছে।”
স্থানীয় কৃষক আমিরুল বলেন, “আমাদের সংসার এই বেগুন চাষের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এবার পোকার কারণে বেগুনের মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে।তাছাড়া জমি থেকে বেগুন তুললে দেখা যাচ্ছে চার ভাগের তিন ভাগেই পোকা আছে অর্থ্যাৎ বেশির ভাগ বেগুনই পোকাধরা। তাই দাম বেশি হলেও লাভবান হতে পারছিনা।”
কৃষক সেকেন আলী অভিযোগ করেন, “বাজারে যে দোকানদাররা কীটনাশক বিক্রি করে, তারা যে পরামর্শ দিয়ে আমাদের হাতে যে ঔষধ দেয় সেগুলো আমরা নিয়ে আসি,সেসকল ঔষধেরআমরা ভালো ফলাফল পাইনা। কোন ওষুধ কোন পোকার জন্য কার্যকর, তা অনেক সময় আমরা জানিই না।”
স্থানীয় আরেক জাকির হোসেন বলেন, “কৃষি অফিসের লোকজন যদি মাঝে মাঝে এসে মাঠ পরিদর্শন করত এবং সঠিক পরামর্শ দিত, তাহলে আমাদের এই ক্ষতি হয়তো কম হতো।”
এলাকার কৃষকরা অবিলম্বে কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে সঠিক ও কার্যকর কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ পেয়ে তারা ফসল রক্ষা করতে পারেন