সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

গণভোট বৈধ না হলে বর্তমান নির্বাচনও বৈধ নয়: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি গণভোট কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেছেন, গণভোট যদি বৈধ না হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও বৈধ না, বর্তমান নির্বাচনও বৈধ না। নির্বাচন বৈধ না হলে সরকার বৈধ হয় কেমনে? অবিলম্বে গণভোট কার্যকর না করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ সকলকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় জুলাই গণঅভুত্থ্যানে শহীদ পরিবার ও আহতদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

মওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন লোক সাথে সাথে নতুন সরকারে যোগদান করে এটা কোন ইতিহাসে নেই। ওখান থেকে রিজাইন করে আপনি যে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন তার মানে আপনি সরকারে থেকে কার পক্ষে কাজ করেছেন? আইনমন্ত্রী সাহেব আপনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা থেকে এসে আইনমন্ত্রী হলেন আপনি কার পক্ষে কাজ করেছেন? সরকারে থেকে জামায়াতকে ঠেকানোর জন্য সব ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

 

 

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফ্যাসিবাদের ভাষায় বর্তমান সরকারের কোন কোন মন্ত্রীরা কথা বলে, এই পার্লামেন্টে এক সময় আওয়ামী লীগ এভাবে কথা বলতো। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর বলে গালি দিতো আর শেখ হাসিনাসহ সবাই তাকে টেবিল চাপড়ে বাহবা জানাতো। আপনারা তো সেই জায়াগা গেছেন। এই পার্লামেন্টে ওবায়দুল কাদের হাসান মাহমুদরা বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য রাখতো।

 

 

 

কিন্তু ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা কোনমতে আর্মির বিমানে ওঠার সুযোগ পাইলেও তার সাঙ্গপাঙ্গরা সুযোগ পায় নাই।

 

 

 

বাংলাদেশের ছাত্রজনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বার বার প্রতিবাদ করেছে, ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে। আবারও যদি কোন ফ্যাসিবাদের জন্ম হয় বাংলাদেশের জনগণ তেমনিভাবে প্রতিরোধ গড়ে আপনাদের বিদায় করে দেবে। কেউই ঠেকাতে পারবেন না।

 

 

 

আমি তো আরও বলি ভাই আপনারা যারা সরকারি দলে আছেন, আমরা যারা বিরোধী দলে আছি, আপনারা কি পারবেন তাও আমরা জানি, আমরা কি পারবো তাও আপনারা জানেন।

 

 

 

তাই বেশি লাফালাফি করে লাভ নেই। ক্ষমতার দম্ভটা বেশি দিনের নয়। টু থার্ড মেজরিটি কেমনে পেয়েছেন সেটা সাধারণ লোক কম জানতে পারে কিন্তু যাদের জানার তারা কিন্তু সবাই জানে। খুব ভালো করেই জানে আপনারা ক্ষমতায় কিভাবে আসছেন।

 

 

 

শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জেলা আমীর মওলানা শাহীনুর আলম খান, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মোস্তফা মাহমুদ, জেলা খেলাফত মজলিসের আমীর মওলানা আব্দুর রউফ প্রমূখ।

 

 

 

মতবিনিময় ও আলোচনা শেষে জুলাই শহীদ ও আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ করেন মওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

গণভোট বৈধ না হলে বর্তমান নির্বাচনও বৈধ নয়: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

আপডেট টাইম : ০৮:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি গণভোট কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেছেন, গণভোট যদি বৈধ না হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও বৈধ না, বর্তমান নির্বাচনও বৈধ না। নির্বাচন বৈধ না হলে সরকার বৈধ হয় কেমনে? অবিলম্বে গণভোট কার্যকর না করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ সকলকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় জুলাই গণঅভুত্থ্যানে শহীদ পরিবার ও আহতদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

মওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন লোক সাথে সাথে নতুন সরকারে যোগদান করে এটা কোন ইতিহাসে নেই। ওখান থেকে রিজাইন করে আপনি যে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন তার মানে আপনি সরকারে থেকে কার পক্ষে কাজ করেছেন? আইনমন্ত্রী সাহেব আপনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা থেকে এসে আইনমন্ত্রী হলেন আপনি কার পক্ষে কাজ করেছেন? সরকারে থেকে জামায়াতকে ঠেকানোর জন্য সব ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

 

 

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফ্যাসিবাদের ভাষায় বর্তমান সরকারের কোন কোন মন্ত্রীরা কথা বলে, এই পার্লামেন্টে এক সময় আওয়ামী লীগ এভাবে কথা বলতো। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর বলে গালি দিতো আর শেখ হাসিনাসহ সবাই তাকে টেবিল চাপড়ে বাহবা জানাতো। আপনারা তো সেই জায়াগা গেছেন। এই পার্লামেন্টে ওবায়দুল কাদের হাসান মাহমুদরা বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য রাখতো।

 

 

 

কিন্তু ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা কোনমতে আর্মির বিমানে ওঠার সুযোগ পাইলেও তার সাঙ্গপাঙ্গরা সুযোগ পায় নাই।

 

 

 

বাংলাদেশের ছাত্রজনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বার বার প্রতিবাদ করেছে, ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে। আবারও যদি কোন ফ্যাসিবাদের জন্ম হয় বাংলাদেশের জনগণ তেমনিভাবে প্রতিরোধ গড়ে আপনাদের বিদায় করে দেবে। কেউই ঠেকাতে পারবেন না।

 

 

 

আমি তো আরও বলি ভাই আপনারা যারা সরকারি দলে আছেন, আমরা যারা বিরোধী দলে আছি, আপনারা কি পারবেন তাও আমরা জানি, আমরা কি পারবো তাও আপনারা জানেন।

 

 

 

তাই বেশি লাফালাফি করে লাভ নেই। ক্ষমতার দম্ভটা বেশি দিনের নয়। টু থার্ড মেজরিটি কেমনে পেয়েছেন সেটা সাধারণ লোক কম জানতে পারে কিন্তু যাদের জানার তারা কিন্তু সবাই জানে। খুব ভালো করেই জানে আপনারা ক্ষমতায় কিভাবে আসছেন।

 

 

 

শহর জামায়াতের আমীর আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জেলা আমীর মওলানা শাহীনুর আলম খান, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মোস্তফা মাহমুদ, জেলা খেলাফত মজলিসের আমীর মওলানা আব্দুর রউফ প্রমূখ।

 

 

 

মতবিনিময় ও আলোচনা শেষে জুলাই শহীদ ও আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ করেন মওলানা রফিকুল ইসলাম খান।