সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ঘাস কাটতে গিয়ে শেয়ালের কামড়ে প্রাণ গেল নারীর

মৃতের বাড়িতে উপস্থিত স্বজনরা। ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ঘাস কাটতে গিয়ে শেয়ালের কামড়ের ২৩ দিন পর আমিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমিনা বেগম মারা যান। শনিবার বিকেলে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়।

 

 

নিহত আমিনা বেগম বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের মো. মইনুল হকের স্ত্রী।

নিহতের ছেলে আমিরুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ দিন আগে মা মাঠে ঘাস কাটতে গেলে নাকে ও মুখে শেয়াল কামড় দেয়। পরে তাকে ঠাকুরগাঁও সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ২টি টিকা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বাড়িতে পল্লী চিকিৎসক দিয়ে ২টি টিকা পুশ করি। শেয়ালের কামড়ের ১৭ দিনের মাথায় মা আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। মুখ দিলে লালা বের হচ্ছিল এবং অল্প সময় পর পর বমি করছিলেন। পরে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলেন, গত বছরেও শেয়ালের উপদ্রব বেশি ছিল। বর্তমানে শেয়াল আতঙ্কে মানুষ একা মাঠে কৃষি কাজ করতে ভয় পায়। কয়েকজন মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে যেতে হয়। বর্তমান সময়ে ভুট্টার আবাদ হওয়ার কারণে শেয়ালের উপদ্রব বেড়ে গেছে। গত ৩ সপ্তাহে শেয়ালের কামড়ে ২টি গরু মারা গেছে।

One thought on “ঘাস কাটতে গিয়ে শেয়ালের কামড়ে প্রাণ গেল নারীর

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ঘাস কাটতে গিয়ে শেয়ালের কামড়ে প্রাণ গেল নারীর

আপডেট টাইম : ০৬:৪২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ঘাস কাটতে গিয়ে শেয়ালের কামড়ের ২৩ দিন পর আমিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমিনা বেগম মারা যান। শনিবার বিকেলে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়।

 

 

নিহত আমিনা বেগম বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের মো. মইনুল হকের স্ত্রী।

নিহতের ছেলে আমিরুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ দিন আগে মা মাঠে ঘাস কাটতে গেলে নাকে ও মুখে শেয়াল কামড় দেয়। পরে তাকে ঠাকুরগাঁও সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ২টি টিকা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বাড়িতে পল্লী চিকিৎসক দিয়ে ২টি টিকা পুশ করি। শেয়ালের কামড়ের ১৭ দিনের মাথায় মা আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। মুখ দিলে লালা বের হচ্ছিল এবং অল্প সময় পর পর বমি করছিলেন। পরে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলেন, গত বছরেও শেয়ালের উপদ্রব বেশি ছিল। বর্তমানে শেয়াল আতঙ্কে মানুষ একা মাঠে কৃষি কাজ করতে ভয় পায়। কয়েকজন মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে যেতে হয়। বর্তমান সময়ে ভুট্টার আবাদ হওয়ার কারণে শেয়ালের উপদ্রব বেড়ে গেছে। গত ৩ সপ্তাহে শেয়ালের কামড়ে ২টি গরু মারা গেছে।