সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জরিপে উঠে এলো কার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

ছবি : সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন তা জানতে প্রথম আলোর উদ্যোগে জরিপ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিমেকারস কনসাল্টিং লিমিটেড।

 

জরিপের শিরোনাম ছিল ‘গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে জাতীয় জনমত জরিপ ২০২৫’।

 

জরিপে উঠে এসেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন অধিকাংশ মানুষ। আর প্রায় এক–চতুর্থাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন নেতার মধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। উত্তরে সর্বোচ্চ সাড়ে ৪৭ শতাংশ মানুষ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মত দিয়েছেন প্রায় ১৯ শতাংশ। দুটি মিলিয়ে বিএনপির এই দুই নেতার প্রতি আস্থা মোট ৬৬ শতাংশের কিছু বেশি।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন ২৫ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, যদিও তিনি এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে কখনো জয়ী হননি। মাত্র ৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আগামী নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে এবং শূন্য দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি. এম. কাদেরকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

 

জরিপে দেশের ৫টি নগর এবং ৫টি গ্রাম বা আধা–শহর এলাকার ১৮–৫৫ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৩৪২ জনের মতামত নেওয়া হয়। এর মধ্যে পুরুষ ৬৭৪ জন এবং নারী ৬৬৮ জন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন আয়, শ্রেণি ও পেশার মানুষ। জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয় ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর।

 

জরিপকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, এটি একটি মতামত জরিপ। এটি দেশব্যাপী প্রতিনিধিত্বমূলক হলেও নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকার প্রতিফলন নয়। জরিপের নমুনায় রাখা হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যারা অনলাইন বা ছাপা পত্রিকা পড়েন এবং আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জরিপে উঠে এলো কার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

আপডেট টাইম : ০৪:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন তা জানতে প্রথম আলোর উদ্যোগে জরিপ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিমেকারস কনসাল্টিং লিমিটেড।

 

জরিপের শিরোনাম ছিল ‘গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে জাতীয় জনমত জরিপ ২০২৫’।

 

জরিপে উঠে এসেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন অধিকাংশ মানুষ। আর প্রায় এক–চতুর্থাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন নেতার মধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। উত্তরে সর্বোচ্চ সাড়ে ৪৭ শতাংশ মানুষ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মত দিয়েছেন প্রায় ১৯ শতাংশ। দুটি মিলিয়ে বিএনপির এই দুই নেতার প্রতি আস্থা মোট ৬৬ শতাংশের কিছু বেশি।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন ২৫ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, যদিও তিনি এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে কখনো জয়ী হননি। মাত্র ৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আগামী নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে এবং শূন্য দশমিক ২ শতাংশ মানুষ জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি. এম. কাদেরকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

 

জরিপে দেশের ৫টি নগর এবং ৫টি গ্রাম বা আধা–শহর এলাকার ১৮–৫৫ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৩৪২ জনের মতামত নেওয়া হয়। এর মধ্যে পুরুষ ৬৭৪ জন এবং নারী ৬৬৮ জন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন আয়, শ্রেণি ও পেশার মানুষ। জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয় ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর।

 

জরিপকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, এটি একটি মতামত জরিপ। এটি দেশব্যাপী প্রতিনিধিত্বমূলক হলেও নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকার প্রতিফলন নয়। জরিপের নমুনায় রাখা হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যারা অনলাইন বা ছাপা পত্রিকা পড়েন এবং আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।