সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডাকসু ইস্যুতে সেই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা জামায়াতের

শামীম আহসান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্যের জন্য বরগুনা জেলা জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানের পদ স্থগিত করেছে দলটি।

 

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বরগুনা জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মহিবুল্লাহ হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা নির্বাচনী পথসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বেফাঁস ও বিতর্কিত মন্তব্য করায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উক্ত মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও মনে করছে দলটি।

সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার দায়ে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সকল প্রকার সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহিবুল্লাহ হারুন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

89
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকসু ইস্যুতে সেই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা জামায়াতের

আপডেট টাইম : ১২:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্যের জন্য বরগুনা জেলা জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানের পদ স্থগিত করেছে দলটি।

 

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বরগুনা জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মহিবুল্লাহ হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা নির্বাচনী পথসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বেফাঁস ও বিতর্কিত মন্তব্য করায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উক্ত মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও মনে করছে দলটি।

সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার দায়ে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সকল প্রকার সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহিবুল্লাহ হারুন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।