বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রাণের স্পন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। তাকে যখন নেতাকর্মীরা সামনে পাবে তারা আরও সাহসী হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে সেই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলে গণতন্ত্র পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।
তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি সবসময়ই রাজপথে সরব ছিলাম, আমার নামে ৭৪টি মামলা ছিল। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আমাকে রাত ১২টার সময় তারেক রহমান টেলিফোন করে বলেন আমি তোমাকে ৩০ বছর ধরে চিনি। তুমি আন্দোলন সংগ্রামে পরীক্ষিত সৈনিক। তুমি কড্ডার মোড় থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল করো। তিনি আজ দেশে আসছেন এটা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। তারেক রহমানের মা অসুস্থ্য, তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, মাকে দেখতে পারেন নাই, মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারেন নাই। তাঁর ছোট ভাই মারা গেছেন তার জানাযায় অংশ নিতে পারেন নাই।
তারেক রহমানের দেশে আসা বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য অনেক উৎসাহের বিষয়। তারেক রহমান গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতাকর্মীদের এক রেখেছিলেন। তাঁর আন্দোলন ছিল এক দফা, ফ্যাসিবাদের উৎখাত করা। তার এই আন্দোলনটা স্বার্থক হয়েছে। তখন থেকেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।
২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর একটা শ্রেণী দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলেছে। এটা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, মানুষের মাঝে দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়েছে। আসলে স্বাধীনতা যুদ্ধ একবারই হয়েছে, আর ২৪ ছিল গণতন্ত্রের লড়াই। তারেক রহমান ২৪ কেও প্রাধান্য দিয়েছেন একাত্তরকেউ প্রাধান্য দিয়েছেন। ২৪ আর ৭১ এর সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
যেহেতু বাংলাদেশে তারেক রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র রয়েছে। সেই কারণে আমি সিরাজগঞ্জের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি, কেউ মাস্ক বা হেলমেট পড়বেন না। আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের পর্যন্ত নির্দেশ দিয়েছি, কে কার পাশে দাঁড়িয়েছে, নতুন কেউ দাঁড়িয়েছে কিনা তার দিকে খেয়াল রাখতে।
আমরা জীবনকে বাজি রেখে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে টিকিয়ে রাখতে চাই, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে চাই, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে টিকিয়ে রাখতে চাই।
স্বাধীনতা যেন কোন কারণেই বিনষ্ট না হয় সেই কারণে বিএনপির সকল নেতাকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারেক রহমান বাংলাদেশের আশার প্রতীক।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















