ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারী সাংবাদিকদের দায়িত্বপালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না বলে উল্লেখ করেছেন দলটির সিনিয়র নায়বে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তার ভাষ্য, সাংবাদিকতা করার এখতিয়ার সবার আছে। তাই ইসলামী আন্দোলন নারী সাংবাদিকতাকে বাধা দেয় না। তবে নারীদেরকে তারা শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান করেন। শরিয়াহ পালনের আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বিষয়ে সাংগঠনিক অবস্থান তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘আমার কোন বোন যদি সাংবাদিকতা করতে চান, সেটা তিনি করতে পারেন। আমরা বাধা দিচ্ছি না। তবে তা শরিয়াহসম্মতভাবে করতে হবে। আর যদি তিনি শরিয়াহ পালন না করেন, তবে আমাদেরকে শরিয়াহ পালনের সুযোগ করে দেবেন।’
কেউ শরিয়ত না মানলে অন্যকেও না মানার পরিবেশ তৈরি করা উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার সাংবাদিক বোনদের উচিত, তিনি যদি শরিয়ত না মানেন, তবে আমাকে সেটা মান্য করার সুযোগ করে দেবেন। এটা তার অধিকার। কিন্তু আমার বোনের অবশ্যই উচিত না যে, তিনি শরিয়ত মানেন না, তাই আমাকেও মানতে দেবেন না। এরকম প্রবণতা উচিত না। তাই কোনো নারী সাংবাদিক যদি (ইসলামী আন্দোলনের প্রোগ্রামে) আসেন, আমরা চাইব তিনি শরিয়াহ সম্মতভাবে আসবেন।’
সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই পবিত্র কোরআনের অবিসংবাদিত বিধানের পরিপন্থি আইন পাস করা হয়েছে, যা জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর স্পষ্ট আঘাত।
হেবার অপব্যবহার রোধ বা বাবা-মা’কে উচ্ছেদ ঠেকাতে আইন করার প্রয়োজন হলেও শরিয়ত লঙ্ঘন করে তা করা যাবে না বলেও দাবি করেন ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ এই নেতা।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে অবিলম্বে ওলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনটিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার জোর দাবি জানান মুফতি ফয়জুল করীম।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 

























