সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনে ব্যর্থ ৫ বারের এমপি, জামানত বাজেয়াপ্ত

হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল আংশিক) আসনে জামানত হারিয়েছেন পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ। তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। হাফিজ উদ্দিন ছাড়াও এ আসনে জামানত হারিয়েছেন আরও ৭ জন প্রার্থী।

 

 

নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় হাফিজ উদ্দিনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৮টি। সে হিসেবে জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ৩২ হাজার ৮৩৩ ভোট। কিন্তু হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৩৩ ভোট। এর আগে তিনি ১৯৮৮, ২০০১, ২০০৮, ২০২৩ সালের উপনির্বাচন এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

 

এবারের নির্বাচনে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট (পোস্টাল ভোটসহ) পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।

 

হাফিজউদ্দীন আহম্মেদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পাশাপাশি কম ভোট পাওয়ায় এ আসনের আরও সাতজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী মামুনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি প্রার্থী প্রভাত সমীর শাহাজাহান আলম, বাংলাদেশ মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ প্রার্থী এসএম খলিলুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে ব্যর্থ ৫ বারের এমপি, জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট টাইম : ০৭:০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল আংশিক) আসনে জামানত হারিয়েছেন পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ। তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। হাফিজ উদ্দিন ছাড়াও এ আসনে জামানত হারিয়েছেন আরও ৭ জন প্রার্থী।

 

 

নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় হাফিজ উদ্দিনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৮টি। সে হিসেবে জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ৩২ হাজার ৮৩৩ ভোট। কিন্তু হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৩৩ ভোট। এর আগে তিনি ১৯৮৮, ২০০১, ২০০৮, ২০২৩ সালের উপনির্বাচন এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

 

এবারের নির্বাচনে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ ভোট (পোস্টাল ভোটসহ) পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯৩৪ ভোট।

 

হাফিজউদ্দীন আহম্মেদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পাশাপাশি কম ভোট পাওয়ায় এ আসনের আরও সাতজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী মামুনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি প্রার্থী প্রভাত সমীর শাহাজাহান আলম, বাংলাদেশ মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ প্রার্থী এসএম খলিলুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।