সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পিডিবির জন্য নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ৪৮ পয়সা

নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। পুরোনো ছবি

মার্চেন্ট পাওয়ার প্লান্টের (এমপিপি) কাছ থেকে প্রতি কিলোওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কিনতে পারবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সম্প্রতি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি জমা দিয়েছে।

 

 

 

 

চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারিত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি’ অনুযায়ী, এখন থেকে এসব কেন্দ্র সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে।

এদিকে, রোববার (২৩ আগস্ট) এ সংক্রান্ত গণশুনানির আয়োজন করেছে বিইআরসি। এর আগে জাতীয় গ্রিড ব্যবহার বাবদ কত টাকা চার্জ দিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলো।

 

 

বিইআরসিতে জমা পড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ ভোল্টেজের ১৩২ কেভি লাইনের জন্য প্রতি ইউনিটে খরচ পড়বে ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪২ পয়সা। আর সাধারণ গ্রাহক পর্যায় বা শূন্য দশমিক চার শূন্য (০.৪০) কেভি লাইনে এই খরচ সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

 

সঞ্চালন চার্জের পাশাপাশি এতে যুক্ত করা হয়েছে বিতরণ মাশুল ও ক্রস-সাবসিডি চার্জ।

 

 

 

 

বিইআরসির কারিগরি কমিটি বর্তমানে এই প্রস্তাবগুলো যাচাই করছে। চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণের পর নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

পিডিবির জন্য নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ৪৮ পয়সা

আপডেট টাইম : ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

মার্চেন্ট পাওয়ার প্লান্টের (এমপিপি) কাছ থেকে প্রতি কিলোওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কিনতে পারবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সম্প্রতি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি জমা দিয়েছে।

 

 

 

 

চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারিত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের ‘মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি’ অনুযায়ী, এখন থেকে এসব কেন্দ্র সরাসরি বড় গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে।

এদিকে, রোববার (২৩ আগস্ট) এ সংক্রান্ত গণশুনানির আয়োজন করেছে বিইআরসি। এর আগে জাতীয় গ্রিড ব্যবহার বাবদ কত টাকা চার্জ দিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলো।

 

 

বিইআরসিতে জমা পড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ ভোল্টেজের ১৩২ কেভি লাইনের জন্য প্রতি ইউনিটে খরচ পড়বে ১ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪২ পয়সা। আর সাধারণ গ্রাহক পর্যায় বা শূন্য দশমিক চার শূন্য (০.৪০) কেভি লাইনে এই খরচ সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৪২ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

 

সঞ্চালন চার্জের পাশাপাশি এতে যুক্ত করা হয়েছে বিতরণ মাশুল ও ক্রস-সাবসিডি চার্জ।

 

 

 

 

বিইআরসির কারিগরি কমিটি বর্তমানে এই প্রস্তাবগুলো যাচাই করছে। চূড়ান্ত ট্যারিফ নির্ধারণের পর নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।