উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরটি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের নানা নির্যাতন-নিপীড়ন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতি ও প্রামাণ্য দলিল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্মমতার সঠিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই স্মৃতি জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
জাদুঘরটিতে গণঅভ্যুত্থানের সময়কার নানা স্থিরচিত্র, ভিডিও, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং দমন-পীড়নের বিভিন্ন প্রামাণ্য দলিল সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















