সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ফুলজোড় নদীতে নিষিদ্ধ ৫০ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

 

 

 

 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার শ্যামগোপ এলাকায় ফুলজোড় নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।

 

 

 

 

অভিযানকালে ফুলজোড় নদীতে পেতে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা ৫০টি জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় রায়গঞ্জ থানা পুলিশের সদস্য এবং উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করলে মাছের পোনাসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে নদীর জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিষিদ্ধ এসব জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, ফুলজোড় নদীতে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর প্রজনন ও বংশবিস্তার স্বাভাবিক হবে। নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনারও দাবি জানান তারা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ফুলজোড় নদীতে নিষিদ্ধ ৫০ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট টাইম : ১০:৪০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৫০টি চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

 

 

 

 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার শ্যামগোপ এলাকায় ফুলজোড় নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।

 

 

 

 

অভিযানকালে ফুলজোড় নদীতে পেতে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা ৫০টি জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় রায়গঞ্জ থানা পুলিশের সদস্য এবং উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

রায়গঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ শিকার করলে মাছের পোনাসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে নদীর জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিষিদ্ধ এসব জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, ফুলজোড় নদীতে চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর প্রজনন ও বংশবিস্তার স্বাভাবিক হবে। নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনারও দাবি জানান তারা।