সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচনের কথা জানালো অন্তর্বর্তী সরকার

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৬:২১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৬ জন দেখেছেন

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানালো অন্তর্বর্তী সরকার।

শনিবার (৩০ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠায়।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার।

নির্বাচন নিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই সংকটকালীন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। আমাদের সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে আমাদের সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া অপরিহার্য।

বিবৃতিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানায় অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার এ হামলাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপর আঘাত মনে করছে বলেও জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, কেবল নুরুল হক নুরের ওপরই নয়, এই ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত বলে মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণকে আশ্বস্ত করছে যে, এই নৃশংস ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করা হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িত কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না। স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার সঙ্গে এর বিচার সম্পন্ন করা হবে।

নুরুল হক নুরের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয় বিবৃতি।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচনের কথা জানালো অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট টাইম : ০৬:২১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানালো অন্তর্বর্তী সরকার।

শনিবার (৩০ আগস্ট) অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠায়।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার।

নির্বাচন নিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই সংকটকালীন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। আমাদের সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে আমাদের সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া অপরিহার্য।

বিবৃতিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানায় অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার এ হামলাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপর আঘাত মনে করছে বলেও জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, কেবল নুরুল হক নুরের ওপরই নয়, এই ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত বলে মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণকে আশ্বস্ত করছে যে, এই নৃশংস ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করা হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িত কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না। স্বচ্ছতা এবং দ্রুততার সঙ্গে এর বিচার সম্পন্ন করা হবে।

নুরুল হক নুরের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয় বিবৃতি।